“বিপদে পড়লে আছি, আমি বাঘের বাচ্চার মতো”, দাবি মমতার

কোচবিহার, ২৯ জানুয়ারি (হি.স.): উত্তরবঙ্গ সফরে কোচবিহারে পৌঁছেই জনসংযোগে সোচ্চার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধীদের কটাক্ষের পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের একের পর এক উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “বিপদে পড়লে আমি আছি। আমি বাঘের বাচ্চার মতো।”

সোমবার কোচবিহার জেলার পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে সার্কিট হাউস থেকে পায়ে হেঁটে জনসংযোগ সারতে সারতে কোচবিহার রাসমেলা ময়দানে এসে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। রাসমেলা মাঠে মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কোচবিহারের নারায়ণী ব্যাটালিয়ন।

কোচবিহারে শাসক দলের নজরে রাজবংশী ভোট। এদিন সেদিকে শুরু থেকেই নজর দেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দণ্ডবৎ করে বলছি। রাজবংশী স্কুল অনেক ছিল । তারা রাজ্যের মাইনে পেত না। আজ থেকে ২০০ স্কুলকে সরকারি স্বীকৃতি দিলাম। ওনারা সরকারি মাইনে ও সুবিধা পাবেন। আমি ভাঙি না। আমি গড়ি। আমি নারায়ণী ব্যাটেলিয়ন করে দিয়েছি। এর সদর দফতর হচ্ছে মেখলীগঞ্জে। বিএসএফের অত্যাচারে মানুষ অত্যচারিত।

ওরা সীমান্ত এলাকায় আলাদা পরিচয় পত্র দিতে চাইছে। ওই পরিচয় পত্র নিলে এন আর সি’তে পড়ে যাবেন। বলবেন আপনার আধার, রেশন কার্ড আছে।

মমতা বলেন, “মণিপুরে ২০০ চার্চ পুড়িয়ে দিয়েছে। মহিলাদের উপর অত্যাচার হয়েছে। বড়দিনে ছুটি দেয় না। নেতাজীর জন্মদিনে ছুটি দেয় না। আমি রামায়ণ মানি। আমি বাইবেল, কোরান মানি। আমি ভোটের সময় বাইরে থেকে খাবার এনে তফশিলী বাড়িতে বসে খাওয়ার নাটক করি না। আমার বাড়িতে দুজন তফশিলী মেয়ে আছে।”