নরেন্দ্রপুর, ২৭ জানুয়ারি (হি. স.) : নরেন্দ্রপুরের একটি স্কুলে ঢুকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেধড়ক মারধর বহিরাগতদের। স্কুলের ভিতরে ভাঙচুর চালানোরও অভিযোগ। অভিযোগ, কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকার মোবাইল ফোন ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পড়ুয়াদের উপরও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রধান শিক্ষকের মদতে এই মারধরের ঘটনাবলে অভিযোগ আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। হামলার জেরে স্কুলের ভিতর বেশ কিছু ক্ষণ আটকে ছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নরেন্দ্রপুর থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। শনিবার এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, এদিন সকালে নরেন্দ্রপুরের ওই স্কুলে প্রথম ক্লাস চলছিল। সেই সময় টিচার্স রুমে ১৮-২০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা ছিলেন। আচমকা সেখানে ২০-২৫ রুদ্রমূর্তি লোকজন ঢুকে পড়েন। কোনও রকম কথায় না গিয়ে শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের মারধর শুরু করেন তাঁরা। হামলার ছবি তুলতে গেলে তিন-চার জন শিক্ষক-শিক্ষিকার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙেও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মারধর থেকে শিক্ষিকারাও রেহাই পাননি বলে দাবি সামনে এসেছে।
আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের মদতেই বহিরাগতরা ঢুকে হামলা চালিয়েছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সম্প্রতি একটি মামলা করেন তাঁরা। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হয় মামলা। এখনও আদালতে রয়েছে সেই মামলা। তার মধ্যেই মামলা তুলে নিতে বেশ কয়েক বার চাপ দেওয়া হয়। তাতে রাজি না হওয়াতেই এদিন বহিরাগতদের ঢুকিয়ে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের। যদিও প্রধান শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, আক্রান্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা এখনও পর্যন্ত তাঁর কাছে কোনও অভিযোগ জানাননি। তবে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। খবর পেয়ে ওই স্কুলে নরেন্দ্রপুর থানা থেকে বিরাট পুলিশবাহিনী এসে পৌঁছয়।

