শান্তি রায় চৌধুরী
কলকাতা, ১৮ জানুয়ারি (হি.স.): সর্বকালের অন্যতম সেরা কোচের নাম বললে প্রথমে উঠে আসবে পেপ গার্দিওলার নাম। ১৮ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার তাঁর শুভ জন্মদিন। খেলোয়াড় হিসেবে অধিকাংশ সময় বার্সায় কাটিয়েছেন গার্দিওলা। অবসর গ্রহণের পর বার্সেলোনা বি দলের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০০৮ সালের ৮ মে মাসে। বার্সেলোনার মূল দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পান ২০০৮–০৯ মরসুমে। বার্সা ট্রেবল জয় করে। এর ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ম্যানেজার হিসেবে এই শিরোপা জেতার কৃতিত্ব গড়েন গার্দিওলা। পরের মরসুমে গার্দিওলা সুপার কোপা, ইউরোপীয়ান সুপার কাপ এবং ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জেতে। তার সুবাদে এক বছরে ছয়টি শিরোপার সবগুলোই জেতে বার্সা। বার্সেলোনাকে মাত্র ৩ বছরে ১৪ ট্রফি জিতিয়ে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন।
২০১২ সালে ফিফা তাকে বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার দেয়। এরপর বার্সেলোনার কোচের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখের দায়িত্ব নেন গার্দিওয়ালা। দায়িত্ব নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখকে বুন্দেসলিগার শিরোপা জিতিয়েছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই কোচ। বায়ার্ন মিউনিখের কোচের পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর ২০১৬ সালে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বর্তমানে ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে কোচের দায়িত্ব পালন করছেন ৫৩ বছর বয়সী এই কোচ।
পেপ গার্দিওলা যেখানে পা রেখেছেন সাফল্য তাকে ছুঁয়েছে। বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখের পর ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে একক আধিপত্য দেখিয়ে যাচ্ছেন।সিটিজেনদের হয়ে ৬ মরসুমে পাঁচবার শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন স্প্যানিশ কোচ। মর্যাদাপূর্ণ ট্রেবল জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে একমাত্র স্যার ফার্গুসনই ট্রেবল জিতেছিলেন।
মাঠের ফুটবলারদের সঙ্গে কোচও যে সমান তালে তারকাখ্যাতি পেতে পারেন, তা দেখাচ্ছেন পেপ গার্দিওলা। তার সাফল্যই তাকে দিয়েছে অমরত্ব। তার তীক্ষ্ণ ফুটবল মস্তিক তাকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। যেখানে পা রেখেছেন সেখানেই রেকর্ড গড়েছেন। এই তো সেদিন পুরুষ ফুটবলের কোচ হিসাবে ২০২৪ সালের ফিফার ‘দ্য বেস্ট’ পুরস্কার জিতেছেন। এর আগে ২০১১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর, গার্দিওলাকে কাতালান আইনসভার সর্বোচ্চ সম্মাননা স্বর্ণপদক পুরস্কার দেওয়া হয়।২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি, গার্দিওলাকে ২০১১ ফিফা বর্ষসেরা কোচের পুরস্কার দেওয়া হয়।

