শিবসাগর (অসম), ১৮ জানুয়ারি (হি.স.) : অসমে প্রবেশ করেছে রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’।
পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় নয়টায় নাগাল্যান্ডের তুলি থেকে আন্তঃরাজ্য সীমান্তবর্তী শিবসাগর জেলার হালুওটিঙে একটি ডিলাক্স বাসে করে সপার্ষদ এসেছেন রাহুল গান্ধী। এখানে দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে কংগ্রেসের প্রচুর নেতা ও কর্মীরা উষ্ণ স্বাগত জানান তাঁকে।
অসমে ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’র আজ পঞ্চমদিন। অসমে চার দিন ১৭টি জেলার ৬৩৩ কিলোমিটার অতিক্রম করবে যাত্রা। ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা-র অসম পর্ব আজ শিবসাগর জেলা থেকে শুরু হয়েছে। অসম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি এই যাত্রাকে সফল করতে কোনও যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
কংগ্রেসের সর্বভারতীয় নেতা রাহুল গান্ধী আজ শিবসাগর এবং যোরহাটের মরিয়নিতে দুটি জনসভায় ভাষণ দেবেন। আগামীকাল যাত্রার ষষ্ঠ দিন রাহুল গান্ধীর মজুলি যাওয়ার কথা। সেখানে তিনি বিভিন্ন সত্র পরিদর্শন করবেন। দলবল সহ রাহুল গান্ধী মাজুলি থেকে যাবেন ধেমাজি। এদিনের যাত্রা শেষ করবেন গোগামুখে রাত্রি যাপন করে।
গোগামুখ থেকে তিনি যাত্ৰা করবেন লখিমপুরের উদ্দেশ্যে। লখিমপুরে তিনি লালুক, হরমতি এবং নাওবৈচায় রোড শো করবেন।
এর পর যাত্রাটি অসমের বিশ্বনাথ, শোণিতপুর এবং নগাঁও জেলা হয়ে এগিয়ে যাবে। ওই সব জেলায় কংগ্রেসের প্রবীণ থেকে নবীন নেতা-কর্মীরা দলের কেন্দ্রীয় নেতার সঙ্গে বিভিন্ন রোড শোতে অংশ নেবেন। শ্রীমন্ত শংকরদেবের জন্মস্থান নগাঁও জেলার অন্তর্গত বটদ্রবায়ও যাবেন রাহুল।
যাত্রাটি মেঘালয় ও অরুণাচল প্রদেশেও যাবে। ২৩ জানুয়ারি মেঘালয় থেকে তিনি ফের অসমে প্রবেশ করবেন। সে সময় রাহুল গান্ধী গুয়াহাটির কামরূপ মেট্রোপলিটন এবং কামরূপ গ্রামীণ জেলায় এসে কয়েকটি রোড শো এবং জনসভায় অংশ নেবেন।
এর পর একই দিন যাত্রাটি নলবাড়ি জেলায় প্রবেশ করবে। রাহুল গান্ধী নলবাড়িতে একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন। নলবাড়িতে নৈশযাপন করে পরের দিন তিনি বরপেটা জেলা, বঙাইগাঁও, উত্তর-শালমারা এবং ধুবড়ি জেলার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।

