কলকাতা, ১৭ জানুয়ারি (হি.স.) : সন্দেশখালি কাণ্ডে এখনই সিবিআই তদন্ত নয়। রাজ্যে পূুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দুই সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। তদন্ত চলবে আদালতের নজরদারিতে।
রেশন দুর্নীতির তদন্তে গিয়ে সন্দেশখালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ইডির আধিকারিকরা। সেই ঘটনাক মূল অভিযুক্ত শাহজাহান শেখ এখনও অধরা। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাই কোর্টে মামলা করে ইডি। এদিন সেই মামলার রায়ে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত জানান, সিবিআই বা রাজ্য পুলিশ নয়, তদন্ত করবে সিট।
সিটের মাথায় থাকবেন সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের একজন করে এসপি পদমর্যাদার অফিসার। তবে ওই বিশেষ তদন্তকারী দলে ন্যাজাট থানার কোনও পুলিশ আধিকারিক বা কর্মী থাকতে পারবেন না।
সন্দেশখালিকাণ্ডে মোট তিনটি এফআইআর হয়েছে ন্যাজাট থানায়। তার মধ্যে একটি এফআইআর করেছে ইডি। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তৃতীয় এফআইআরটি করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির কেয়ারটেকর। প্রথম দুটি এফআইআরের তদন্ত করবে সিট। দলে সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের এসপি পদমর্যাদার অফিসার থাকবে বলে নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট।
রাজ্য জানিয়ে দিয়েছে তাদের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকবেন এসপি জসপ্রীত সিংহ। তবে সিবিআইয়ের তরফে এখনও কোনও আধিকারিকের নাম বলা হয়নি। আদালতের নির্দেশ, সংশ্লিষ্ট সিট চাইলে কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিশের সাহায্য নিতে পারবে।
বস্তুত, সন্দেশখালিতে আক্রান্ত হওয়ার পর ইডি আদালতে জানিয়ে দেয় রাজ্য পুলিশের উপর তাদের ভরসা নেই। এমনকি, তথ্য বিকৃতিরও আশঙ্কা প্রকাশ করে তারা। ইডির আইনজীবীর আবেদন ছিল, সিবিআই কিংবা কোনও ‘নিরপেক্ষ সংস্থা’ দিয়ে তদন্ত হোক। অন্য দিকে, রাজ্য জানায় পুলিশ নিজের কর্তব্য পালন করেছে। তারা নির্দিষ্ট পদক্ষেপ করেছে এবং বেশ কয়েক জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

