আগরতলা, ৩ জানুয়ারি: ২০১৮ সালে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষে কাজ করেছে। আজ জিরানীয়ার মাধববাড়িস্থিত আন্তঃ রাজ্য ট্রাক টার্মিনাসে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করে একথা বলেন খাদ্য মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী।
এদিন মন্ত্রী বলেন, ২৫ বছর কৃষক বন্ধুদের সাথে প্রতারণা করে গেছে অতীতের সরকার। রাজ্য সরকার প্রতিটি কৃষি মহকুমায় আধুনিক কৃষি পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছে। যাতে করে কৃষকরা তাদের রোজগার বৃদ্ধি করতে পারে ।
তাঁর কথায়, কৃষকদের আধুনিক যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে সার বীজ দেওয়া হচ্ছে। কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দেওয়ার জন্য প্রতিটি কৃষি মহকুমায় কৃষক বন্ধু কেন্দ্র ও কৃষক জ্ঞান অর্জন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদিত ফসলের সঠিক মূল্য পায় তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। সরকার ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কৃষক বন্ধুদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করছে।
এদিন তিনি আরও বলেন, রাজ্যের কৃষকবন্ধুদের প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা সর্বদাই সহানুভূতিশীল। তাঁর নির্দেশেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক মূল্যে আবারও ধান কেনার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষকরা খোলাবাজারে ধান বিক্রি করে যে দাম পান তার থেকে অনেক বেশি দাম পান সরকারি ধান ক্রয়কেন্দ্রে। শুধুমাত্র কৃষকরাই যাতে এই সুবিধা পান তাঁর জন্য সচেষ্ট রয়েছে রাজ্যের কৃষকবন্ধু সরকার।
তিনি আরও বলেন, কৃষকরা খোলাবাজারে ধান বিক্রি করে যে দাম পান তার থেকে অনেক বেশি দাম পান সরকারি ধান ক্রয়কেন্দ্রে। শুধুমাত্র কৃষকরাই যাতে এই সুবিধা পান তাঁর জন্য সচেষ্ট রয়েছে সরকার। সরকার কৃষকদের কাছ থেকে কুইন্টাল প্রতি ২১৮৩ টাকা দরে ধান ক্রয় করছে। এবছর রাজ্য সরকার কৃষকদের কাছ থেকে ৫০,০০০ মেট্রিক টন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়েছে। ধান ক্রয় কেন্দ্রে সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে কৃষকদের কোনোভাবেই যাতে হয়রানির শিকার না হতে হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য উপস্থিত আধিকারিকদের নির্দেশ প্রদান করেন মন্ত্রী।
তাঁর কটাক্ষ , বামদের সময় সরকার কৃষকের ধান কিনুক এই দাবিই শুধু করা হতো। আর তাদের দিয়ে মিছিল করানো হতো। অথচ ২০১৮ সালে বর্তমান সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকেই কৃষকের ধন ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং দ্রুত কার্যকরী হয়।

