করিমগঞ্জ (অসম) ৩১ অক্টোবর (হি.স.) : আগামীকাল ১ নভেম্বর বুধবার থেকে করিমগঞ্জে গ্রাম পঞ্চায়েত ও পুরসভা পর্যায়ে খেল মহারণ প্রতিযোগিতা শুরু হচ্ছে। খেল মহারণ প্রতিযোগিতার অধীনে জেলার সাতটি উন্নয়ন খণ্ডের অধীন গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি এবং পুরসভা এলাকায় অ্যাথলেটিক, ফুটবল, ভলিবল, কবাডি ও খো খো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
করিমগঞ্জের জেলা আয়ুক্ত তথা খেল মহারণের অধ্যক্ষ এই প্রতিযোগিতার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলার বিধানসভা পর্যায়ের অধ্যক্ষ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, নেহরু যুব কেন্দ্র, সব খণ্ড উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিক, শিক্ষাবিভাগ ও অন্যান্য সহযোগী বিভাগকে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত করার জন্য বিস্তৃত তালিকা প্রকাশ করে দায়িত্ব সমঝে দিয়েছেন।
খেল মহারণ প্রতিযোগিতায় উত্তর করিমগঞ্জ উন্নয়ন খণ্ডের অধীন গান্ধাই গ্রাম পঞ্চায়েত (জিপি), ব্রাহ্মণশাসন, মাইজগ্রাম, লাতু-সজপুর, আকবরপুর, সাদারাশি, পাথু-সুরিগ্রাম, সুতারকান্দি-কুরিখলা, লক্ষ্মীবাজার, পুরাহুরিয়া, পানিঘাট এবং উত্তর করিমগঞ্জ জিপির প্রতিযোগীদের ১ থেকে ১৩ নভেম্বর এবং করিমগঞ্জ পুরসভার ১৪ নভেম্বর প্রতিযোগিতা চলবে। পাশাপাশি বদরপুর উন্নয়ন খণ্ডের অধীন উমরপুর জিপি, হাসানপুর, দত্তপুর, মাসলি, লামাজুয়ার, মহাকল, কনকলস বাসাইল, সাউথ বদরপুর, মালুয়া শ্রীগৌরী, চরগোলা ঘোড়ামারা, এংলার বাজার ও বুন্দাশীল জিপিতে ২ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত এবং বদরপুর পুরসভার প্রতিযোগীদের ১ নভেম্বর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে পাথারকান্দি উন্নয়ন খণ্ডর অধীনে কাবারিবন্দ জিপি, বুরুঙ্গা, বান্দরকোণা, জুড়বাড়ি ডেফলআলা, ফরিদকোণা দোহালিয়া, ধলছড়া, পাথারকান্দি, কানাইবাজার, আসিমগঞ্জ, বারইগ্রাম, ইলাশপুর, মৈনা ও কলকলিঘাট জিপির প্রতিযোগীদের ১ থেকে ১৩ নভেম্বর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। অনুরূপভাবে দক্ষিণ করিমগঞ্জ উন্নয়ন খণ্ডের অধীন নিলামবাজার, আঙ্গুরা, সিঙ্গারিয়া, জাতকাপন বরকতপুর, বাকরশাল নাইরগ্রাম, সরিষা চরাকুড়ি, বাগবাড়ি, জনকল্যাণ, কালিগঞ্জ, সুভাষনগর, মনসাঙ্গন, লঙ্গাইঘাট, বাজারঘাট, কেওটকোণা, কানিশাইল শরিফনগর, সুপ্রাকান্দি, ফারমপাশা, পিরেরচক, কৃষ্ণনগর, শ্রীমন্ত কানিশাইল ও ফতেহপুর জিপির প্রতিযোগীদের ১ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিযোগিতা চলবে।
রামকৃষ্ণনগর উন্নয়ন খণ্ডের অধীন গামারিয়া, গান্ধীনগর, নগেন্দ্রনগর, বিনোদিনী, গোবিন্দগঞ্জ, হরিনগর, কালিনগর, বরুয়ালা, নয়াটিলা, আনন্দপুর ও ভৈরবনগর জিপির প্রতিযোগীদের ৩ থেকে ১৩ নভেম্বর এবং রামকৃষ্ণনগর পুরসভার এলাকার প্রতিযোগীদের ১ ও ২ নভেম্বর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এভাবে লোয়াইরপোয়া উন্নয়ন খণ্ডের অধীন বাঘন, কুকিথল, মেদলি, পুতনি, বাজারিছড়া, লোয়াইরপোয়া, ইচাবিল, ডেঙ্গারবন্দ, হাতিখিরা চাঁদখিরা, বালিপিপলা ও ঝেরঝির জিপির প্রতিযোগীদের ১ থেকে ১১ নভেম্বর প্রতিযোগিতা চলবে।
অনুরূপভাবে দুল্লভছড়া উন্নয়ন খণ্ডের অধীন ভেটারবন্দ, চেরাগি, পাঠাখাউরি, দুল্লভছড়া, দরগারবন্দ, পাতিয়ালা, বিদ্যানগর, চরগোলা, আনিপুর, সিংলাছড়া, লালছড়া, কাজিরবাজার, পলডহর ও রাতাবাড়ি জিপির প্রতিযোগীদের প্রতিযোগিতা এক থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা / সমীপ
অফিস খুলতেই ফের ছুটির হিসেব, খোসমেজাজে সরকারী কর্মীরা
কলকাতা, ৩১ অক্টোবর (হি.স.): এমনিতেই অধিকাংশ সরকারি কর্মীর উৎপাদনশীলতা যথেষ্ঠ কম। বিস্তর ছুটির পাশে অনেকেরই আসি যাই মাইনে পাই গোছের সুযোগ। হাজিরার কড়াকড়ি নেই বললেই চলে। পুজোর ছুটি শেষ হয়ে অফিস খুলতেই ফের ছুটির হিসাব শুরু সরকারি অফিসে।
সেই চতুর্থী থেকে পুজোর ছুটি শুরু হয়েছিল। ১৮ দিন পর সোমবার খুলল সমস্ত সরকারি দফতর। কিন্তু হলে কী হবে! এখনও যে উৎসবের অনেকগুলি দিন বাকি। তাই ফের ছুটির হিসেব-নিকেশ। সকালে নবান্ন থেকে নবমহাকরণ, খাদ্যভবন থেকে বিধানসভা-সর্বত্রই কর্মীদের সমাগম চোখে পড়েছে। তবে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় ও পুজোর ছুটি কে কীভাবে কাটালেন, কোন ঠাকুর বেশি ভিড় টেনেছে, ইত্যাদি নিয়েই আলোচনা চলেছে সরকারি কর্মীমহলে। আবার কোথাও কোথাও নভেম্বর মাস জুড়েও যে ১৩টি ছুটি রয়েছে, তা নিয়ে শুরু হয় চর্চা।
সরকারি ক্যালেন্ডার বলছে, আগামী ১২ নভেম্বর কালীপুজো। সে দিন রবিবার। ফলে মন খারাপ ছিল সরকারি কর্মীদের। কিন্তু রাজ্য সরকার কালীপুজোর অতিরিক্ত ছুটি দিয়েছে ১৩ ও ১৪ নভেম্বর। তার পরের দিন ১৫ নভেম্বর ভাইফোঁটার ছুটি। একই দিনে বিরসা মুন্ডার জন্মদিনের ছুটি রয়েছে। তবে দুই ছুটি মিলে গিয়েছিল। তাই ১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ভাইফোঁটার অতিরিক্ত ছুটি দিয়েছে নবান্ন।
ঘটনাচক্রে, এবার ছটপুজোও রবিবার পড়েছে। ১৯ নভেম্বর। রাজ্যে ছটেরও অতিরিক্ত ছুটি রয়েছে ২০ নভেম্বর, সোমবারে। সেই হিসাবে ১৮ থেকে ২০ নভেম্বর টানা ছুটি মিলবে। মাসের শেষ ছুটির দিন গুরুনানকের জন্মদিন ২৭ নভেম্বর। সেটাও সোমবার হওয়ায় টানা তিনদিন ছুটির সুযোগ পাবেন অনেকেই। ফলে পুজোর পরেই ফের যদি কেউ টুরে যেতে চান, এবারের মতো সুযোগ তাঁরা আর পাবেন না।
সরকার মূলত তিনটি ভাগে ছুটি দেয়। প্রথমত, ১৯৮৮ সালের ‘নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্ট’ (এনআই) অনুযায়ী গোটা দেশেই কিছু ছুটি প্রাপ্য হয় সরকারি কর্মচারীদের। দ্বিতীয়ত, রাজ্য সরকার স্থানীয় উৎসব, পরবের জন্য ছুটি দিতে পারে। তৃতীয়ত, কিছু অতিরিক্তি ছুটি দেওয়ারও সুযোগ থাকে সরকারের হাতেই। সেই মোতাবেক নভেম্বরে ১৩ দিনের ছুটির ব্যবস্থা হয়েছে সরকারি কর্মচারীদের। যা পেয়ে সরকারি কর্মীমহলে রীতিমতো খুশির হাওয়া।