পাথারকান্দি ফুটব‌ল টুর্না‌মে‌ন্টে চ্যা‌ম্পিয়ন তাপাদারপাড়া এফ‌সি

পাথারকান্দি (অসম), ২৫ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : পাথারকান্দি স্পোর্টস কমিটি আয়োজিত সুখময় সিংহ ও কৃষ্ণমোহন সিনহা (টিল্লি) মেমোরিয়াল ষোলো দলীয় নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় চ্যা‌ম্পিয়ন হয়েছে তাপাদারপাড়া এফ‌সি। ত‌বে এ নি‌য়ে জল গড়ায় বহুদূর।

খেলার দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত ফাইনাল ম্যাচটি গোলশূন্য থাকায় কোনও দলই মাঠে নামেনি। অবশেষে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাপাদারপাড়া এফসিকে চ্যাম্পিয়ন ‌ঘোষণা করা হয়। তাতেও সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক।

‌নির্ঘণ্ট অনুয়ায়ী র‌বিবার বিকালে পাথারকান্দির মুণ্ডমালা খেলার মাঠে প্রায় হাজার দশেক ক্রীড়ানুরাগী দর্শকের উপস্থিতিতে ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে উভয় দল গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলে দ্বিতীয়ার্ধের ১৫ মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষ নবজাগরণ একাদশের হয়ে এক খেলোয়াড় ডি বক্সের সীমানার ভেতরে ফাউল করলে রেফারি সঙ্গে সঙ্গে প্যানালটির নির্দেশ দিলে বেঁকে বসে নবজাগরণ দল। এতে পণ্ড হয় ম্যাচ।

ফ‌লে হতাশায় মাঠ ছাড়েন অজস্র ক্রীড়াপ্রেমী দর্শককুল। পর-মুহূর্তে দফায় দফায় খেলা পরিচালন কমিটির পক্ষ থেকে অধিনায়ক, ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনও সুরাহা হয়নি। ম্যাচের নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে রেফারির নির্দেশ অমান্য করার অপরাধে প্রতিপক্ষ দল‌কে বা‌তিল ক‌রে তাপাদারপাড়া এফসিকে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন বলে ঘোষণা করা হয়।

এদি‌নের ম্যাচে আমন্ত্রিত স্থানীয় বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু পাল রানার্স ও চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে যথাক্রমে ৫০ হাজার ও ৩০ হাজার টাকার চেক সহ ট্রফি তুলে দেন। উপস্থিত ছিলেন করিমগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি অলকেশ চৌধুরী সহ বি‌ভিন্ন ক্রীড়া‌প্রেমী। ম্যাচ পরিচালনা করেন করিমগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার রেফারি জিশু দাস, সহযোগী ছি‌লেন মৃণালকান্তি দাস ও সৌমেন্দ্র দাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *