মণিপুরের সাতজন ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব

কলকাতা, ২২ জুলাই (হি. স.) : কলকাতা লিগে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে এবছর মণিপুরের সাতজন ফুটবলার খেলছেন। তাঁদের কয়েকজন ফুটবলার পরিবার নিয়ে কলকাতাতে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন।

মহামেডান ক্লাবের নিয়মে এসপরিবারে আসার অনুমতি নেই। “নিয়ম নেই ঠিক কথা। কিন্তু পরিস্থিতি আমাদের সেই অবস্থান থেকে বাধ্য করেছে। এটা মানবিক বিষয়। এখানে নিয়ম দেখলে হবে না। আমাদের গোলরক্ষক কোচ সে পরিবার নিয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছে। আমরা তাঁর জন্য রাজারহাটে ফ্ল্যাটের ব্যবস্থা করেছি। আজ, শনিবার আমাদের ডায়মন্ড হারবারের সঙ্গে খেলা রয়েছে। খেলার আগে আমরা নীরবতা পালন করব মণিপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনার স্মরণে, বলেছেন মহামেডান স্পোর্টিংয়ের সচিব ইস্তেয়াক আহমেদ (রাজু)।

তিনি বলেন, “ওরা আমাদের ক্লাবে যোগ দিয়েছে। অর্থাৎ আমাদের পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ওদের পরিবারের বিপদে আমাদের পাশে দাঁড়ানো কর্তব্য। আমরা ওদের বলেছি পরিবারকে নিয়ে এস। আরও কাউকে যদি নিয়ে আসতে হয় নিয়ে আসো। আমরা পাশে রয়েছি, ব্যবস্থা করে দেব। রাজারহাটে ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনদিন আগে সিআইটি রোডে চারটে ফ্ল্যাট নিয়েছি।” জেমস সিং, রজার খুমান, বিকাশ সিং, বেদেশ্বর সিং, ডেটল মইরাংথাম, জেট্টি এই সাত ফুটবলার সাদা কালো জার্সি পড়ে ময়দানে ফুটবল নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চলেছেন। অথচ মনে রয়েছে উৎকণ্ঠা উদ্বেগ।

মেইটি এবং কুকি দ্বন্দ্ব কলকাতাতে খেলতে এসেও মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। মহামেডান ক্লাবের সাত ফুটবলার নামের পাশে কুকি না মেইটি লিখে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তা জানিয়েছেন, তাঁরা সেই দাবি মানেননি। ফুটবলে জাতপাতের স্থান নেই। ফুটবলই সবচেয়ে বড় ধর্ম।” আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত বলেছেন, আমাদের কাজ খেলার সুষ্ঠ আয়োজন করা। মহামেডান স্পোর্টিংয়ের ফুটবল সচিব দীপেন্দু বিশ্বাস বলছেন, আমরা উদ্যোগ নিয়েছি পাশে দাঁড়ানোর। নির্ভরতা দিয়েছি যাতে খোলা মনে খেলতে পারে। এই ব্যাপারে মহামেডান ক্লাব সবসময় সাহায্য করতে প্রস্তুত।”