আগরতলা, ৩ মে (হি.স.) : সত্তরের দশকের গোড়া থেকে ত্রিপুরাকে ধ্বংস করতে আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল। এখন তা সবোর্চ্চ স্তরে এসে পৌছেছে। আজ রাজ্য এনএসএস ইউনিট ও যুব বিষয়ক ক্রীড়া দফতরের উদ্যোগে আয়োজিত নেশামুক্ত ত্রিপুরা শীর্ষক সেমিনার ও রক্তদান শিবিরে উদ্বেগের সুরে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডা.) মানিক সাহা। সাথে তিনি যোগ করেন, দেশকে দূর্বল করতে মাদককে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিন তিনি বলেন, রক্তদানের মাধ্যমে একজন মূর্মুষ রোগীর প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হয়। মানব শরীরে রক্তের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু ড্রাগস শরীরে প্রবেশের কারণে রক্ত দূষিত হয়ে পড়ছে। তাতে শরীরের রক্ত মাদকের ফলে ব্যবহার অযোগ্য হচ্ছে। ফলে, শুধু শরীরই নষ্ট হচ্ছে তেমনটা নয়। এইডস ও হেপাটাইটিসের মতো রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সামগ্রিকভাবে এটি একটি ভয়ানক ঘটনা যা দেশকে আঁকড়ে ধরেছে।
সাথে তিনি যোগ করেন, সত্তরের দশক থেকে জাতিকে ধ্বংস করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা ভারতের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছিল। প্রজন্মকে ধ্বংস করতে মাদককে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছিল এবং এখন এটি সর্বোচ্চ স্তরে এসে পৌছেছে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাদকের অপব্যবহারের কারণে প্রজন্ম কীভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তা দেখে তিনি হতাশা বোধ করেন।
এদিন তিনি বলেন, অসমের পরে ত্রিপুরায় বড়মাত্রায় নেশা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তাই অসামাজিক কাজে যারা লিপ্ত আছেন তাদেরকে ভয় না পেয়ে মাদকের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।