মানব পাচারের করিডোরে পরিণত হয়েছে বিলোনিয়া সীমান্ত এলাকা, আটক এক মহিলা

শান্তিরবাজার(ত্রিপুরা), ১৯ মার্চ (হি. স.) : মানব পাচার যেন কিছুতেই বন্ধ করা যাচ্ছে না বিলোনিয়ার বিভিন্ন সীমান্তগুলি দিয়ে। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে প্রতিনিয়ত চলছে মানুষ ওঠা নামার কাজ। শনিবার রাতে গতকাল রাতে বিলোনিয়া থানাধীন মতাইয়ের জয়কাতপুর এলাকা থেকে বাংলাদেশি একজন মহিলা নাগরিককে আটক করে বিএসএফ এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও কি করে এই ধরনের মানুষ উঠা নামার কাজ চলে তা নিয়ে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

গতকাল রাতে বিলোনিয়া থানাধীন মতাইয়ের জয়কাতপুর এলাকা থেকে স্থানীয় কিছু শুভবুদ্ধি সম্পন্ন যুবক বাংলাদেশি একজন মহিলা নাগরিককে আটক করে বিএসএফ এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। জানা যায় মতাই এর কোন একটি জায়গা দিয়ে তারকাটার বেড়া টপকে সীমান্ত পার হওয়ার জন্য যাচ্ছিল বাংলাদেশী এই যুবতী। বেশ কিছু লাগেজ নিয়ে ফাড়ি পথ ধরে রাতে সীমান্তের দিকে যেতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হওয়ায় তাকে আটক করা হয়। ধৃত বাংলাদেশি ওই যুবতীর নাম আরজিনা লিমা।
সে জানায় দিল্লি থেকে আজকে বিমানে করে সে আগরতলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে নিজ বাড়ি বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য এখানে আসে। যদিও কি কাজ করতো সে বিষয়ে পরিষ্কার নয়। বাড়ি বাংলাদেশের খুলনার বাগেরহাটে। তার কাছে পাসপোর্ট থেকে শুরু করে কোন বৈধ কাগজপত্র কিছুই নেই। প্রশ্ন হল এত নিরাপত্তার মধ্যে কি করে চোরাপথে বাংলাদেশ থেকে এই দেশে আসে এবং দিল্লী পর্যন্ত যেতে পারে । এখন যদিও মেয়েটির গতিবিধি নিয়ে পুলিশি তদন্ত শুরু হবে ।

প্রশ্ন হল মানব পাচারকারী সুমন মিয়ার নামে অনেক অভিযোগ থাকলেও পুলিশ কিংবা কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ কেন এই মানব পাচারকারীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। যদিও মেয়েটিকে পাচার করে দেওয়ার জন্য সহযোগী হিসেবে মিলন মিয়া নামে আমজাদ নগরের এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এইদিকে বিএসএফের মিলন মিয়ার উপর সন্দেহ হওয়ায় আটক করে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু এই কাজে সে জড়িত নয় বলে জানায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *