FIVE STATE ASSEMBLY ELECTION

বৃহস্পতিবার ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন, ভোটকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা প্রায় ২০ হাজার ভোটকর্মী

আগরতলা, ১৫ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : আগামীকাল বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন। তাই আজ বুধবার দুপুর থেকে ইভিএম, ভিভি প্যাট ইত্যাদি সরঞ্জাম নিয়ে নিজের নিজের ভোটকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন প্রায় ২০ হাজার ভোটকর্মী। প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) কিরণ গিত্যে আজ রাজধানী শহরে উমাকান্ত স্কুল পরিদর্শন করেছেন। এখানেই কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে ইভিএম মেশিন রাখা হবে।

এখানে সিইও গিত্যে জানান, সেন্ট্রাল আর্মস ফোর্সের (সিএপিএফ) ২৬১টি কোম্পানি ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পাঁচটি রাজ্য, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র সহ ১৬টি রাজ্য থেকে স্টেট আর্মস পুলিশ (এসএপি)-এর ১৩৯টি কোম্পানি নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পাঠানো হয়েছে বিপুল সংখ্যক ত্রিপুরা পুলিশ এবং ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলস (টিএসআর)-এর জওয়ান।

তিনি জানান, আগামীকাল অনুষ্ঠেয় ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আজ ৩,৩৩৭টি ভোট কেন্দ্রের জন্য নিরাপত্তা সহ সমস্ত ভোটগ্রহণ কর্মী উমাকান্ত স্কুল চত্বর থেকে রওয়ানা হয়েছেন। একটা সময় ছিল, যখন ভোটকর্মীদের ভোট কেন্দ্রে পৌঁছতে দুই থেকে তিন দিন সময় লাগত, সেখানে আজ ভোটকেন্দ্রে পৌঁছতে সময় লাগে মাত্র এক দিন। সমস্ত ভোটকেন্দ্রে দিব্যাঙ্গ, বিদ্যুৎ এবং পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহরগুলিতে ফ্লাড লাইটিং, টয়লেট এবং অন্যান্য সুবিধা স্থাপন করা হয়েছে, বলেন গিত্যে। তিনি বলেন, বয়স্ক ভোটার ও দিব্যাঙ্গ ভোটারদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে তাঁদের অপেক্ষা করতে না হয়।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ভোটকর্মীদের বিভিন্ন ধরনের ফর্ম, ইভিএম এবং যাতায়াতের জন্য পর্যাপ্ত গাড়ির ব্যবস্থা করেছি। আমরা যেভাবে জিরো ভায়োলেন্সের দিকে একধাপ এগিয়েছি ঠিক সেভাবেই জিরো রি-পোলের দিকেও এক ধাপ এগিয়েছি। ভোটকর্মীদের সমস্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

তাঁর দাবি, ‘গত দেড় মাস ধরে সিএপিএফ, রাজ্য পুলিশ এবং টিএসআর শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক কাজ করছে। বিগত দিনের নির্বাচনে আমরা সহিংসতা দেখেছি। তবে এবারের নির্বাচনে সহিংসতা প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে। আমি বিশ্বাস করি, আজ রাতে কোনও সহিংসতা হবে না।’ গিত্যে বলেন, অপ্রত্যাশিতভাবে কোনও পাহাড়ি এলাকায় সংহিসতার ঘটনা সংগঠিত হলে, আহতদের উদ্ধার করতে তাঁরা এয়ার অ্যাম্বুলেন্সেরও ব্যবস্থা রেখেছেন।