খোয়াইয়ে রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, হেলদোল নেই প্রশাসনের

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৮ সেপ্টেম্বর ৷৷   খোয়াইয়ে পূজোর মরশুমেও রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ঘুচেনি৷ অবস্থা চরম আকার ধারণ করেছে৷ ভোগান্তি পৌঁছেছে শেষ সীমায়৷ ছাড়িয়েছে সবরকমের সহ্যের সীমারেখা৷ অবস্থা চরমতম আকার ধারণ করলেও পূর্ত দপ্তরের নেই কোন হেলদোল৷ নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, খোয়াই মহকুমায় এবারে ভগ্ণদশার রাস্তাঘাটের দৌলতে মানুষের শারদোৎসবের আনন্দ মাটি হতে বসেছে৷ কারোরই কোন মাথাব্যাথা নেই৷ ত্রিস্তর পঞ্চায়েত, এ ডি সি, বি এ সি, প্রশাসন সবাই নীরব দর্শক৷ উৎসবের সময় আগে ভাঙাচোরা রাস্তাঘাটের একটু আধটু সংস্কার হতো৷ কিন্তু এখন সেরকম কিছুই দেখা যাচ্ছে না৷ খোয়াইয়ের ধলাবিল থেকে হাতকাটা যাওয়ার রাস্তার অবস্থা সবচেয়ে বেশী করুণ৷ চার কিলোমিটার রাস্তায় দশ বারোটিরও বেশী জায়গায় বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে আছে৷ জল জমে জলাশয় হয়ে আছে৷ সংস্কার নেই৷ অস্তিত্ব বুঝা দুষ্কর পূর্ত দপ্তরের৷ খোয়াইয়ের সিঙ্গিছড়া বেলতলী থেকে মধ্য সিঙ্গিছড়া হয়ে লাঠাবাড়ী পর্য্যন্ত রাস্তার অবস্থাও সেরকম৷ সংস্কারের নামগন্ধ নেই৷ শহরের লালছড়া এলাকায় সব রাস্তাঘাট ভেঙে ভেঙে চৌচির৷ পুর পরিষদ, ব্লক, বি এ সি , এ ডি সি, ত্রিস্তর পঞ্চায়েত সবাই হেলদোলহীন৷ নীরব দর্শকের ভূমিকা সরকারের৷পুরো মহকুমা জুড়ে রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে৷ জনদুর্ভোগের শেষ নেই৷ এ ডি সি এলাকায়ও রাস্তাঘাটের জীর্ণদশা৷শারদোৎসবের আনন্দ এবারে রাস্তাঘাটের কারণে মহকুমার জাতি উপজাতি মানুষের মাটি হতেই বসেছে৷সর্বস্তরের মানুষের জিজ্ঞাসা, পুর পরিষদ বা ত্রিস্তর পঞ্চায়েত আছে কোনদিনের জন্য? রাস্তাঘাট ভাঙতে ভাঙতে একেবারে অন্তিম পর্য্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে৷ চলাফেরাই দায়৷ এরপরেও ঘুম ভাঙেনা সরকারের! আর কবে জাগবে মডেল রাজ্যের সরকার ! পূজোর কয়েকটা দিনের জন্য অন্ততঃ রাস্তাঘাটগুলো একটু ভদ্রস্থ করে দিক সরকার৷ এটাই এখন খোয়াইবাসীর আকুল আবেদন৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *