নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১১ জুলাই৷৷ কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে রবিবার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরায় কোভিড-১৯ এর ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্টের সন্ধান মিলেছে বলে সংবাদে যে খবর বেরিয়েছে তা অসত্য৷ কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে আরও বলা হয়েছে, ত্রিপুরায় একটিও নমুনার সন্ধান পাওয়ায় যায়নি যেটি কোভিড-১৯ এর ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট৷
১১ জুলাই সেন্টার জানিয়েছে যে ত্রিপুরায় সিওভিড -১৯-এর ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্টের একাধিক মামলা পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যম জানিয়েছে৷ জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলাফল ভাইরাসের ডেল্টা ভেরিয়েন্টের ঘটনা প্রকাশ করে৷
ত্রিপুরা থেকে জিনোম সিকোয়েন্সের জন্য ডব্লিওজিএস-এর জন্য ১৫২ টি নমুনা এনআইবিএমজি কল্যাণীতেপাঠানো হয়েছিল৷ নমুনাগুলি ছিল এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে আরটি-পিসিআর ইতিবাচক পরীক্ষিত৷
কেন্দ্র বলেছে নমুনা পরীক্ষার পর যে ফলাফলগুলি দেখিয়েছে তা হল ৩টি নমুনা বি.১.১.৭ পজেটিভ, ১১ টি নমুনা হল বি.১৬১৭.১ (কাপ্পা ভেরিয়েন্ট) পজেটিভ এবং ১৩৮ টি নমুনা বি.১.৬১৭.২ (ডেল্টা ভেরিয়েন্ট) পজেটিভ৷ সিকোয়েন্সড নমুনার মধ্যে ডেল্টা প্লাসের কোনও পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়নি৷
প্রসঙ্গত, এই সপ্তাহের শুরুতে, রাজ্যের কোভিড-১৯ নোডাল অফিসার ডাঃ দীপ দেববর্মা জানিয়েছিলেন যে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলি পশ্চিমবঙ্গে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ১৫১ আরটি-পিসিআর নমুনা পাঠিয়েছিল৷
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে পশ্চিমবঙ্গের কল্যানী ল্যাবে করোনার ১৫১টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল৷ তাতে দেখা গিয়েছে, ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট ১৩৮টি, ডেল্টা ভেরিয়েন্ট ১০টি এবং আলফা ভেরিয়েন্ট রয়েছে ৩টি৷ ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট পশ্চিম জেলায় ১১৫টি, সিপাহীজলা জেলায় ৮টি, দক্ষিণ জেলায় ২টি, খোয়াই জেলায়১টি, ধলাই জেলায় ১টি, ঊনকোটি জেলায় ৪টি, উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ২টি এবং গোমতি জেলায় ৫টি পাওয়া গিয়েছে

