বাংলাদেশের পাবনায় পালিত হল মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী

পাবনা, ১৭ জানুয়ারি (হি.স.):  শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় রবিবার বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি মহানায়িকা পাবনার মেয়ে সুচিত্রা সেনের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হল বাংলাদেশের পাবনায়। এ উপলক্ষে শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনে মহানায়িকার পৈতৃক বাড়িতে সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের আয়োজনে তার ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাজশাহীর ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মি. সঞ্জীব কুমার ভাটিসহ অন্যরা।

পাবনা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় স্মরণ সভা। সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি এম সাইদুল হক চুন্নুর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মি. সঞ্জীব কুমার ভাটি।

 তিনি বলেন, বাংলাদেশ সত্যিকারেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমি এদেশে কাজ করতে এসে তা বাস্তবে অনুভব করেছি। তিনি বলেন, সুচিত্রা সেনের সেলিব্রেশনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে দুই দেশের প্রীতির বন্ধন আরো জোরদার হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকেই ভারত বাংলাদেশে পরস্পর মৈত্রী বন্ধনে আবদ্ধ। আগামীতেও সেই ধারা অব্যহত থাকবে।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- সুচিত্রা সেনের স্মৃতিময় বিদ্যাপীঠ সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হরিশ চন্দ্র চৌধুরী, পরিষদের সভ-সভাপতি ডা. রামদুলাল ভৌমিক, কৃষিবিদ জাফর সাদেক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, সরওয়ার মোর্শেদ উল্লাস, হাসিনা আক্তার রোজী প্রমুখ।

বাংলা চলচ্চিত্রের অসংখ্য জনপ্রিয় ছবি উপহার দেয়া কালজয়ী এই মহানায়িকা ১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল পাবনায় তার নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। পাবনা পৌর এলাকার গোপালপুরের হেমসাগর লেনের বাড়িতে তার শৈশব ও কৈশোর কাটে। পরে ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় পাবনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত অবস্থায়ই সুচিত্রা সেন তার পুরো পুরবারের সঙ্গে ভারতে চলে যান। লাখো ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন মহানায়িকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *