Home / সীমানা সমস্যা নিয়ে মিজোরাম সরকারকে কেন্দ্রের দ্বারস্থ হতে পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

সীমানা সমস্যা নিয়ে মিজোরাম সরকারকে কেন্দ্রের দ্বারস্থ হতে পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রীর

আগরতলা, ৬ নভেম্বর (হি.স.)৷৷ দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর লঙ্ঘন শোভনীয় নয়৷ উত্তর ত্রিপুরা জেলার ফুলডুঙশেই গ্রাম নিজেদের অংশ দাবি করে মিজোরামের ভূমিকায় এমনই মন্তব্য করেছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব৷ তাঁর পরামর্শ, সীমানা নিয়ে কোনও আপত্তি থাকলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দ্বারস্থ হওয়া উচিত৷ কারণ, সীমানা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক্তিয়ার রয়েছে৷ তিনি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীকে সকলকে সাথে নিয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন৷


গত কিছুদিন ধরে মিজোরাম ত্রিপুরার ফুলডুঙশেই গ্রাম নিজেদের অংশ দাবি করে দুই রাজ্যের সম্পর্কে উষ্ণতা বাড়িয়ে দিয়েছে৷ অন্যদিকে অসমের সাথেও সীমানা নিয়ে মিজোরাম ঝঞ্ঝাট শুরু করেছে৷ পরিস্থিতি এতটাই জটিল রূপ নিয়েছে, অসম-মিজোরাম সীমান্তে কেন্দ্রীয় এসএসবি মোতায়েন করতে হয়েছে৷
আজ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব মিজোরামের ভূমিকা নিয়ে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন৷ তাঁর কথায়, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সীমান্ত সমস্যার নিস্পত্তি করে৷ ফলে, মিজোরামের সাথে অসম কিংবা ত্রিপুরার সীমানা নিয়ে কোনও সমস্যা হলে তার সমাধানও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকই করবে৷ তাই তাঁর পরামর্শ, সীমানা সমস্যা সমাধানে মিজোরাম কেন্দ্রের দ্বারস্থ হোক৷

তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় সীমানা নিয়ে দুই রাজ্যের ঝগড়া অশোভনীয়৷ সে-ক্ষেত্রে নতুন করে সীমানা নির্ধারণের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন রাখুক মিজোরাম, পরামর্শ দেন তিনি৷ তাঁর আবেদন, প্রত্যেক রাজ্য যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় থেকে তাকে আরও শক্তিশালী করুক৷ তাঁর দাবি, সীমানা নিয়ে ত্রিপুরার তরফে কোনও সমস্যা নেই৷ তিনি মনে করেন, সমগ্র দেশ আমাদের৷ তাই কোথাও যেতে আমাদের বাধা নেই৷ সাথে তিনি যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ এবং ৩৫-এ ধারা বিলুপ্ত করে সেখানেও সমগ্র দেশবাসীর অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন৷


মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ব্রু শরণার্থীদের ত্রিপুরায় বসবাসের সুযোগ করে দিয়ে রাজ্যবাসী উদার মানসিকতার পরিচয় দিয়েছেন৷ তাই তিনি সমগ্র ত্রিপুরাবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন৷ সাথে তিনি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন, রাজ্যের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে সকলকে সাথে নিয়ে চলতে হবে৷