নয়াদিল্লি, ৬ অক্টোবর (হি. স.) : পূর্ব লাদাখে চিনা আগ্রাসনের পর থেকে ভারত একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে চলেছে। এর বেশিরভাগই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মাণ করা হয়েছিল।ভারতের এই একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে চিন।অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ভারত শৌর্য ক্ষেপণাস্ত্র, লেজার গাইডেড এন্ড ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল, ব্রাহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল, সুপারসনিক অ্যাসিস্ট্যান্ট রিলিজ টর্পেডো পরীক্ষা করে প্রতিবেশী শত্রু রাষ্ট্র পাকিস্তান এবং চিনের ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছে।৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে যে কোনো লক্ষ্য বস্তুর ওপর আঘাত হানতে সক্ষম ব্রাহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র।চোখের পলকের নিমিষে ভুলিয়ে দিতে পারে যেকোনো লক্ষ্যবস্তু।পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম শৌর্য ক্ষেপণাস্ত্রও ৮০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা দেখছে কোন লক্ষ্যবস্তুকে ঘুরিয়ে দিতে পারে।গত ২২ শে সেপ্টেম্বর ডিআরডিও হাই স্পিড এক্সপেন্ডেবল এরিয়েল টার্গেট ‘অভ্যাস’ সফলভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।অভ্যাস হচ্ছে এক ধরনের ড্রোন প্রযুক্তি লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করে মিসাইল সিস্টেম কে সতর্ক করে দেয। পরে মিসাইল সিস্টেম সেই লক্ষ্য বস্তুর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।ঠিক একইভাবে ২৩ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পৃথ্বী ২ ক্ষেপণাস্ত্র ওডিশার উপকূলে সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে ইতিমধ্যেই ভারত পঞ্চম প্রজন্মের জেট যুদ্ধবিমান তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে।পূর্ব লাদাখে মোতায়েন করা হয়েছে সুখোই থার্টি এম কে আই, মিরাজ ২০০০, মিগ ২৯, জাগুয়ার এর মতন যুদ্ধবিমান।চিন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে একই সময় যুদ্ধ করতে সক্ষম ভারত বলে আগেই জানিয়েছিলেন বায়ুসেনা প্রধান।
2020-10-06