নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২৫ জুলাই৷৷ চাকরিচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষক মামলায় সুপ্রিমকোর্টে তিন সদস্যক বিচারপতির বেঞ্চে ২৮ জুলাই শুনানি হবে৷ ওইদিন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত, বিচারপতি মোহন এম সান্ত্বনাগৌড়া এবং বিচারপতি বিনীত শরনের বেঞ্চে শুনানি ধার্য হয়েছে৷ সুপ্রিমকোর্ট ত্রিপুরা সরকারের কাছে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করার জন্য হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছে৷ ত্রিপুরা সরকার ইতিমধ্যে হলফনামা জমা দিয়েছে৷
প্রসঙ্গত, চাকরিচ্যুত ১০৩২৩ শিক্ষক মামলায় সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে অবস্থান স্পষ্ট করে হলফনামা জমা দিয়েছে ত্রিপুরা সরকার৷ চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের কীভাবে সরকার সহায়তা করতে চাইছে সে বিষয়েই হলফনামায় বিস্তারিত বলা হয়েছে, জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী রতনলাল নাথ৷
তিনি বলেন, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের প্রশ্ণে সবর্োচ্চ আদালতে প্রয়োজন এবং ন্যায্যতা অনুসারে নিয়োগ বিধিমালায় অন্যান্য শর্তে শিথিলকরণের অনুমতি দেওয়ার জন্য ত্রিপুরা সরকার অনুমতি চেয়েছে৷ পাশাপাশি, বয়সের শিথিলকরণ, বিভিন্ন সরকারি দফতরে অনুমোদিত নন-টেকনিক্যাল শূন্য পদে গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রেও সম্মতি চেয়েছে৷
মন্ত্রীর বক্তব্য, হলফনামায় সুপ্রিমকোর্টের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে, যোগ্যতার শর্ত পূরণে এবং বয়স যেখানে শিথিলযোগ্য প্রয়োজন সেখানে রাজ্য সরকারকে ত্রিপুরা সরকারের অনুমোদিত গ্রুপ-সি, গ্রুপ-ডি শূন্য পদে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিবেচনা ও নিয়োগের অনুমতি দিন৷ এমন-কি, কোনও বিজ্ঞাপন ছাড়াই সরাসরি যোগ্যতা অনুসারে শূন্য পদে তাঁদের নিয়োগ করতে ত্রিপুরা সরকারকে অনুমতি দিন৷
আইনমন্ত্রীর দাবি, সমস্ত দিক চিন্তা করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মন্ত্রিসভায় বিস্তারিত আলোচনা শেষে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের প্রশ্ণে সুপ্রিমকোর্টে হলফনামা দেওয়া হয়েছে৷ সবর্োচ্চ আদালত বিবেচনা করে রায় দিলেই প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে ত্রিপুরা সরকার প্রস্তুত৷
আগামী ২৮ জুলাই ওই মামলার শুনানি ধার্য হয়েছে৷ ভিডিও কনফারেন্সে পাঁচ নম্বর কোর্টে মামলায় শুনানি হবে৷ সূচি অনুযায়ী ৩ নম্বর তালিকায় রয়েছে ওই মামলা৷

