নিজস্ব প্রতিনিধি, কাঞ্চনপুর/চড়িলাম,২২ জুন৷৷ ত্রিপুরায় ফাঁসিতে আত্মহত্যার ঘটনা বেড়েই চলেছে৷ আজ পৃথক পৃথক স্থানে দুজন আত্মহত্যা করেছেন৷ উত্তর ত্রিপুরা জেলার কাঞ্চনপুরে দশম শ্রেণির পড়ুয়া নাবালিকা ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে৷ অন্যদিকে, সিপাহিজলা জেলার বিশালগড় থানাধীন গকুলনগর রাস্তারমাথা এলাকায় এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস জড়িয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন৷ অবশ্য ওই নাবালিকার জীবন কাহিনি অত্যন্ত বেদনাদায়ক৷ কারণ, স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে তার মা মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়িতে থাকতেন৷ ফলে, ওই নাবালিকার আত্মহত্যার কারণ জনমনে নানা প্রশ্ণ দেখা দিয়েছে৷
নাবালিকার আত্মহত্যার ঘটনা সম্পর্কে তার দিদিমা বলেন, রবীন্দ্রনগর দ্বাদশ শ্রেণি বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ত তার নাতনি শাশ্বতী দাস৷ আজ সোমবার সকালে ফাঁসিতে আত্মহত্যা করেছে৷ তিনি বলেন, বাড়িতে কারোর সাথেই কোনও ঝগড়া হয়নি শাশ্বতীর৷ এমন-কি সুকলে কোনও সমস্যা হয়েছে বলেও আমরা কিছুই শুনেনি৷ ফলে, কী কারণে আত্মহত্যা করল শাশ্বতী, কিছুই বুঝতে পারছি না৷ পুলিশ শাশ্বতীর মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে৷
এদিকে, সোমবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে চারটা নাগাদ বিশালগড় থানাধীন গকুলনগরে অবস্থিত রাস্তারমাথা এলাকায় এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে৷ মৃত গৃহবধূর নাম পিঙ্কি চৌধুরী (৪০)৷ তার স্বামী শিশুরঞ্জন চৌধুরী পেশায় টিএসআর জওয়ান৷ পারিবারিক সূত্রের দাবি, ওই গৃহবধূ অনেক দিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন৷ আজ বিকেলে নিজ বাড়িতেই তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে৷ তার মেয়েই প্রথম ওই ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার দেয়৷ চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন৷ খবর পেয়ে ছুটে যায় বিশালগড় মহিলা থানার পুলিশ৷ পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে বিশালগড় হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে৷

