১০৩২৩ শিক্ষক : প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে শিক্ষামন্ত্রীকে, দাবী বামপন্থী যুব সংগঠনগুলির

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৫ মে৷৷ ১০,৩২৩ জন শিক্ষক সম্পর্কে যে অমর্যাদাসম্পন্ন শব্দ উচ্চারণ করেছেন, তার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথকে৷ এই দাবি বাম সমর্থিত দুই ছাত্র সংগঠন ডিওয়াইএফআই এবং টিওয়াইএফ-এর ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির৷ রবিবার আগরতলার মেলারমাঠ এলাকায় অবস্থিত দুই সংগঠনের রাজ্য কমিটির কার্যালয়ে আহূত এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে এই দাবি তুলেছেন সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দরা৷


ডিওয়াইএফআই-এর ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির সম্পাদক নবারুণ দেব বলেন, সুপ্রিমকোর্টকে জড়িয়ে যেভাবে শিক্ষামন্ত্রী ১০,৩২৩ শিক্ষক সম্পর্কে অমর্যাদাকর মন্তব্য করেছেন তার জন্য আদালতের প্রতি তাঁর ন্যূনতম শ্রদ্ধা থাকলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইবেন৷ এছাড়া ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি সভাপতি এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লবকুমার দেব বলেছিলেন, সাংবিধানিক নিয়ম মেনে ১০,৩২৩ শিক্ষকের চাকরি রক্ষা করা হবে৷ এই প্রতিশ্রুতি তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছিলেন৷ এমন-কি বিজেপি তাদের ভিজন ডকুমেন্টের পাঁচ নম্বর পৃষ্ঠায়ও উল্লেখ করেছিল৷ তখন বুক ঠুকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হলে ১০,৩২৩ জন শিক্ষককে রক্ষা করা হবে৷ প্রথম বছর ৫০ হাজার বেকার যুবক-যুবতীকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল৷ কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, ১০,৩২৩ জনকে নিয়ে ছেলেখেলা করা হচ্ছে৷ উলটে চাকরি না দিয়ে হাঁস ও গো-পালনের কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী৷


নবারুণ বলেন, শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বলছেন, চাইলে এখন রাজ্য ১২ থেকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সম্ভব৷ কিন্তু যোগ্য লোক পাওয়া যাচ্ছে না, তাই নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না৷ অথচ রাজ্যে ৮০০-এর বেশি যুবক-যুবতী টেট পাশ করে বসে আছেন৷ বর্তমান সরকার তাঁদের নিয়োগ করছে না কেন বলেও প্রশ্ণ তুলেন নবারুণ দেব৷ তাঁর বক্তব্য, এতে সুকলগুলিতে প্রতিদিন শিক্ষক-স্বল্পতা বাড়ছে৷ তাই অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগের দাবি তুলেছেন তাঁরা৷ বলেন, টিএসআর, পুলিশ, কলেজ শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করা হয়েছে নিউ রিক্রুটমেন্ট পলিসির নাম করে৷ তা আসলে এতে করে রাজ্যের বেকারদের সঙ্গে ছেলেখেলা চলছে৷


নবারুণ দেবের খেদ, বিগত ১৪ মাস ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অহেতুক অমর্যাদাকর কথাবার্তা ছাড়া৷ সংবাদ মাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে শিক্ষাঙ্গন থেকে মদ-সহ নেশা সামগ্রীর বোতল কুড়োনোর কাজে নেমেছেন তিনি৷ বর্তমান সময়ে সারা দেশের মধ্যে বেকারত্বে ত্রিপুরা সবর্োচ্চে বলেও দাবি করেন তিনি৷ এমন-কি বাম যুবসংগঠনগুলির রক্তদান শিবিরের ওপরও আক্রমণের ঘটনা ঘটাচ্ছে বিজেপি-র দুষৃকতীরা৷ আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিওয়াইএফ-এর সাধারণ সম্পাদক অমলেন্দু দেববর্মা৷
এদিকে ডিওয়াইএফআই উত্থাপিত দাবি সম্পর্কে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল বলেন, ১০,৩২৩ শিক্ষকদের নিয়ে আমার মন্তব্যে এঁরা অযথা চটেছেন৷ আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে৷ তাঁর কথায় অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল বলেই তো এই সকল শিক্ষকদের চাকরি বাতিল করে দিয়েছে আদালত৷ তবুও, মানবিকতার খাতিরে এখনও ১০,৩২৩ শিক্ষকদের জন্য আদালতে লড়াই জারি রেখেছে রাজ্য সরকার৷

মন্ত্রী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বলছেন, চাইলে এখন রাজ্য ১২ থেকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ সম্ভব৷ কিন্তু যোগ্য লোক পাওয়া যাচ্ছে না, তাই নিয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না৷ অথচ রাজ্যে ৮০০-এর বেশি যুবক-যুবতী টেট পাশ করে বসে আছেন৷ বর্তমান সরকার তাঁদের নিয়োগ করছে না কেন বলেও প্রশ্ণ তুলেন নবারুণ দেব৷ তাঁর বক্তব্য, এতে সুকলগুলিতে প্রতিদিন শিক্ষক-স্বল্পতা বাড়ছে৷ তাই অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগের দাবি তুলেছেন তাঁরা৷ বলেন, টিএসআর, পুলিশ, কলেজ শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করা হয়েছে নিউ রিক্রুটমেন্ট পলিসির নাম করে৷ তা আসলে এতে করে রাজ্যের বেকারদের সঙ্গে ছেলেখেলা চলছে৷
নবারুণ দেবের খেদ, বিগত ১৪ মাস ধরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অহেতুক অমর্যাদাকর কথাবার্তা ছাড়া৷ সংবাদ মাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে শিক্ষাঙ্গন থেকে মদ-সহ নেশা সামগ্রীর বোতল কুড়োনোর কাজে নেমেছেন তিনি৷ বর্তমান সময়ে সারা দেশের মধ্যে বেকারত্বে ত্রিপুরা সবর্োচ্চে বলেও দাবি করেন তিনি৷ এমন-কি বাম যুবসংগঠনগুলির রক্তদান শিবিরের ওপরও আক্রমণের ঘটনা ঘটাচ্ছে বিজেপি-র দুষৃকতীরা৷ আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিওয়াইএফ-এর সাধারণ সম্পাদক অমলেন্দু দেববর্মা৷
এদিকে ডিওয়াইএফআই উত্থাপিত দাবি সম্পর্কে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল বলেন, ১০,৩২৩ শিক্ষকদের নিয়ে আমার মন্তব্যে এঁরা অযথা চটেছেন৷ আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে৷ তাঁর কথায় অবৈধভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল বলেই তো এই সকল শিক্ষকদের চাকরি বাতিল করে দিয়েছে আদালত৷ তবুও, মানবিকতার খাতিরে এখনও ১০,৩২৩ শিক্ষকদের জন্য আদালতে লড়াই জারি রেখেছে রাজ্য সরকার৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *