
এদিন তিনি জানিয়েছেন, তেলেঙ্গানার চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার রজত কুমার রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির উপর রিপোর্ট দেবে তার ভিত্তিতে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। অন্য চারটি রাজ্যের সঙ্গে তেলেঙ্গানায় নির্বাচন করা যায় কিনা তার ভাবনা চিন্তা করা হবে। এখানে কোনও বিধিবদ্ধ আইন নেই। কিন্তু ২০০২ সালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল যখন বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হবে তখন নির্বাচন কমিশনের উচিত সে রাজ্যে দ্রুত নির্বাচন সংগঠিত করা। যাতে করে কেয়ারটেকার সরকার কোনও রকমের সুবিধা নিতে না পারে। উপ-নির্বাচন কমিশনার উমেশ সিনহার নেতৃত্বে একটি দল তেলেঙ্গানায় পাঠানো হবে। তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর দলটি ওই রাজ্যে। চারটি রাজ্যের নির্বাচনের জন্য যথাযথ ভিভিপ্যাট এবং ইভিএম যন্ত্র রয়েছে।
রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে নির্বাচনের মাস অনুমান করে বলেছেন নভেম্বরে নির্বাচন হতে পারে বলে জানিয়েছেন সেই প্রসঙ্গে ও পি রাওয়াত জানিয়েছেন, মিডিয়ার একাংশ সাংবিধানিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করে দিচ্ছে। তাতে নির্বাচন কমিশন অখুশি।