নয়াদিল্লি, ২ সেপ্টেম্বর (হি.স.) : ফের শিরোনামে জেএনইউ ছাত্রনেতা কানহাইয়া কুমার। আগামী লোকসভা ভোটে সিপিএমের টিকিটে বিহারের বেগুসরাই থেকে লোকসভায় লড়তে চলেছেন তিনি। প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে লড়বেন জেএনইউ ছাত্র সংসদের প্রাক্তন সভাপতি।
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের নেতা থাকাকালীন প্রথম শিরোনামে আসেন কানহাইয়া। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরে সে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। নিঃশর্ত মুক্তি পেয়ে যান জেএনইউয়ের তথকালীন ছাত্র সংসদের সভাপতি। এরপরই দেশজুড়ে মোদিবিরোধী মুখ হিসেবে পরিচিত পান কানহাইয়া কুমার। আগামী লোকসভা নির্বাচনে তাঁর ঘরের কেন্দ্র বেগুসরাই থেকে তাঁকে ভোটে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিপিএম। বেগুসরাই লোকসভা কেন্দ্রেরই একটি ছোট গ্রামে থাকেন কানহাইয়া। তাই স্থানীয়দের ভাবাবেগকে কাজে লাগিয়ে এই বামপন্থী নেতাকে লোকসভায় পাঠাতে চাইছে সিপিএম। কানহাইয়া অত্যন্ত গরিব পরিবার থেকে উঠে আসায় স্থানীয়দের সহানুভূতিও পাবেন। তাই বেশ ভেবেচিন্তেই তাঁকে বেগুসরাই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামেরা।
তিনি সিপিএমের টিকিটে লড়লেও তাঁকে মহাজোটের অন্যান্য শরিকরাও সমর্থন করবেন বলে জানানো হয়েছে জোটের তরফে। আপাতত ওই কেন্দ্রের সাংসদ বিজেপির ভোলা সিং। গত লোকসভা ভোটে লালুপ্রসাদ যাদবের আরজেডিকে ৫৮ হাজার ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি। সিপিএম ওই কেন্দ্রে প্রায় লাখ দু’য়েক ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছিল। তেজস্বী যাদব ওই আসনটি কানহাইয়াকে ছাড়তে রাজি আছেন। লালুপ্রসাদের ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কানহাইয়ার জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ। গোটা রাজ্যেই তাঁকে বিজেপি বিরোধী মুখ হিসেবে প্রচারে তুলে আনতে চান লালুপ্রসাদ। কংগ্রেসের তরফেও ইঙ্গিত মিলেছে কানহাইয়াকে সমর্থন করার। স্থানীয় সিপিএম নেতা সত্যনারায়ণ সিং জানিয়েছেন, “এখনও মহাজোটের নেতাদের সঙ্গে সরকারিভাবে সমর্থনের ব্যপারে কথা হয়নি। তবে, লালুজি ব্যক্তিগতভাবে আমাদের জানিয়েছেন তিনি কানহাইয়াকে সমর্থন করতে রাজি আছেন। প্রার্থী হওয়ার ব্যপারে আপত্তি নেই কানহাইয়ারও।