
২০১২ সালে তালিবান বন্দুকবাজের হামলায় জখম হয়ে প্রায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পৌঁছে গিয়েছিলেন মালালা। নিজের জন্মস্থান সোয়াটে মেয়েদের মধ্যে শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য যখন আন্দোলনে নামেন মালালা তখন মাত্র ১১। কিন্তু সাধারণ মানুষের চোখে যা সমাজ সংস্কার, সেটাই তো তালিবান বাহিনীর কাছে অপরাধ ছিল। তাদের বক্তব্য, ‘এই মেয়ে পশ্চিমি দেশগুলোর দালাল।’ ২০১২ সালের ৯ অক্টোবরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে স্কুল বাসের মধ্যেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় তালিবানি বন্দুকবাজ। তালিবান জঙ্গিরা তাঁর মাথায় গুলি চালায়। চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ব্রিটেনে। দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফের মালালা পিছিয়ে থাকা দেশের সমস্ত অল্পবয়সীদের শিক্ষার দাবিতে সরব হয়েছেন। শিশুদের অধিকার নিয়ে আন্দোলনের জন্য যখন মালালার হাতে নোবেল পুরস্কার উঠেছিল, সেই সময় তাঁর বয়স মাত্র ১৭। ছ’বছর বছর আগে যখন দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন, সেই সময় মালালা ছিলেন প্রতিবাদী এক কিশোরী। সেই মেয়ে ফিরে এল ‘আইকন’ হয়ে।
মালালার বাবা জিয়াউদ্দিন ইউসুফজাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি নিরাপত্তাবেষ্ঠনীতে তাঁর নিজের স্কুলে যান। সেখানে সকলের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। জানা গিয়েছে, দিন চারেক তাঁরা পাকিস্তানে থাকবেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তাঁদের কোথায় রাখা হয়েছে তা জানানো হয়নি। পাক প্রধানমন্ত্রী শাহিদ আব্বাসির সঙ্গে মালালার সাক্ষাৎ হবে বলে জানা গিয়েছে। ‘মিট দ্য মালালা’ নামের একটি অনুষ্ঠানেও তাঁর যোগ দেওয়ার কথা।