
গত জানুয়ারিতে কলকাতায় কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে সীতারাম ইয়েচুরি ও প্রকাশ কারাত পৃথক পৃথক খসড়া প্রস্তাব পেশ করেছিলেন ৷ কিন্তু, ভোটাভুটিতে প্রকাশ কারাতের খসড়াটি অনুমোদিত হয় ৷ নিয়ম অনুযায়ী, সারা দেশের প্রত্যেকটি রাজ্য সম্মেলনে অনুমোদিত খসড়া নিয়ে আলোচনা হবে ৷ পার্টির সদস্যরা সেই খসড়ার বিপক্ষে সংশোধনী আনতে পারেন ৷ খসড়াটি চূড়ান্ত হবে হায়দরাবাদে দলের সাধারণ সম্মেলনে বা পার্টি কংগ্রেসে ৷ কিছুদিন আগেই সীতারাম ইয়েচুরি পার্টির অভ্যন্তরে রাজ্য সম্মেলন চলাকালীন বলেছিলেন, ‘ত্রিপুরায় হারের পরিপ্রেক্ষিতে এই খসড়া সংশোধনের খুবই প্রয়োজন রয়েছে ৷ না হলে, আগামী দিনে বিজেপির মত ‘সাম্প্রদায়িক’ ও ‘ফ্যাসিবাদী’ শক্তিকে দেশের মাটিতে আটকানো যাবে না’ ৷ কেরল, অন্ধ্র প্রদেশ ও তামিলনাড়ুর প্রকাশ কারাতের অনুগামীরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের বিপক্ষে যেতে চেয়েছেন ৷ অন্যদিকে, সীতারাম ইয়েচুরির পক্ষে কথা বলেন পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও ঝাড়খন্ডের নেতারা ৷ ইতিমধ্যেই পার্টির সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে এসে প্রকাশ কারাতের তৈরি খসড়ার ওপর সংশোধনী আনার জন্য কর্মীদের অনুরোধ জানিয়ে রেখেছেন ৷ রাজ্য কমিটির বৈঠকে অধিকাংশ জেলাই ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক জোটের লক্ষ্যে অসাম্প্রদায়িক জোটের পক্ষেই সওয়াল করেছে ৷ সেদিক থেকে দেখতে গেলে, হায়দরাবাদের পার্টি কংগ্রেসে সিপিএমের কেরল এবং বেঙ্গল লবির সম্মুখ সমরে নামতে চলেছে ৷