নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ এপ্রিল৷৷ রাজ্য সরকার রাজ্যে শিশু ও মাতার মৃত্যু হার হ্রাস করা, হাসপাতালে ১০০ শতাংশ প্রসব নিশ্চিত করা, ১০০ শতাংশ টিকাকরণ ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দিয়েছে৷ স্বাস্থ্য মন্ত্রী বাদল চৌধুরী আজ আগরতলার প্রজ্ঞাবভনে জাতীয় শহুরে স্বাস্থ্য মিশনের উপর আয়োজিত একদিনের কর্মশালায় প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ২০০৫ সালে ত্রিপুরায় জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের সূচনা হয়৷ জাতীয় শহুরে স্বাস্থ্য মিশনের সূচনা হয় ২০১৪-১৫ অর্থবছরে৷ বর্তমানে আগরতলা পুর নিগমের ৪৯টি ওয়ার্ডে ৩৭টি স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ৫টি শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে৷ আরো ৩টি শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে৷ শহরের ৮০টি বস্তি এলাকায় ৮০টি মহিলা আরোগ্য সমিতি গঠন করা হয়েছে৷ এছাড়া, শহরে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ৫টি রোগী কল্যাণ সমিতি গঠন করা হয়েছে৷ তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার স্বাস্থ্যের মান উন্নয়নে দপ্তর থেকে মহিলা আরোগ্য সমিতিকে আর্থিক সহায়তা করা হয়ে থাকে৷ তিনি বলেন, আমরা চাই আগরতলা শহরে স্বাস্থ্য পরিষেবার সার্বিক উন্নয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম৷ যাতে স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সবার অংশ গ্রহণ থাকবে৷
প্রদীপ জ্বেলে এই কর্মশালার উদ্বোধন করে আগরতলা পুর নিগমের ডেপুটি মেয়র সমর চক্রবর্তী বলেন, স্বাস্থ্য হল মানুষের মৌলিক অধিকার৷ আগরতলা শহরে স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়নে আগরতলা পুর নিগম স্বাস্থ্য দপ্তরকে সহায়তা করবে৷ এছাড়া, আলোচনায় অংশ নেন নিগমের মেয়র পারিষদ জয়া বিশ্বাস, রাজ্য স্বাস্থ্য ওপরিবার কল্যাণ সমিতির সদস্য সচিব ডাঃ এস কে চাকমা, পরিবার কল্যাণ রোগ প্রতিরোধক দপ্তরের অধিকর্তা ডাঃ এম ডার্লং ও পশ্চিম জেলার জেলা শাসক ডাঃ মিলিন্দ রামটেকে৷ স্বাগত ভাষন দেন পশ্চিম জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ গৌতম দেবনাথ৷ মহিলা আরোগ্য সমিতি বিষয়ে ডাঃ সুপ্রতীম বিশ্বাস এবং জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন নিয়ে অরিন্দম সাহা আলোচনা করেন৷ কর্মশালায় পারিষদগণ ও স্বাস্থ্য কর্মীরা অংশ নেন৷ আয়োজিত হয় প্রশ্ণোত্তর পর্ব৷ পশ্চিম জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ-সমিতি এই কর্মশালার আয়োজন করে৷
2017-04-07

