নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৬ এপ্রিল৷৷ ইটের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে৷ তাই, এখন দাম নিয়ন্ত্রণে পশ্চিম জেলা শাসক উদ্যোগী হয়েছেন৷ বেশ কয়েকটি অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ইট বিক্রেতার সাথে এক বৈঠকে মিলিত হন পশ্চিম জেলা জেলা শাসক ড মিলিন্দ রামটেকে৷
এদিন বৈঠকে পশ্চিম জেলা শাসক ইটের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় চরম অসন্তোষ ব্যক্ত করেন৷ বৈঠকে উপস্থিত ইট বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ইটের দাম এখন অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে৷ ১৩ থেকে ১৪ টাকা করে প্রতিটি ইট বিক্রি হচ্ছে৷ চাহিদা বাড়লে সে তুলনায় যোগান কম হলে ইটের দাম বাড়তেই পারে৷ কিন্তু, অস্বাভাবিক হাসে তা বাড়তে পারে না৷ তিনি ইট বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, মোহনপুর মহকুমা থেকে বেশ কয়েকটি অভিযোগ তাঁর কাছে এসেছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে, ইট বিক্রি করে যে রসিদ দেওয়া সেই রসিদে দাম লেখা নেই৷ অথচ প্রতিটি ইট ১৩/১৪ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে, এমনটা অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ তিনি বলেন, বিভিন্ন সরকারী প্রকল্পে নির্মাণ কাজ চলছে৷ তাতে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ইট নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারিত করে টেন্ডার ডাকা হয়৷ কিন্তু, কাজ শুরু হওয়ার পর এখন ইটের দাম যদি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায় তাহলে নির্মাণ কাজ থমকে যাবে৷ জেলা শাসক এদিন কড়া হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, অস্বাভাবিক হারে জিনিষের দাম বাড়িয়ে দেওয়া দন্ডনীয় অপরাধ৷ তাই, ইটের দাম যদি এভাবেই অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে বিক্রি করা হয় তাহলে এর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে৷ পশ্চিম জেলা শাসক এদিন বৈঠকে উপস্থিত ইট বিক্রেতাদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইটের দাম বাড়ানো যেতে পারে, তবে তা অস্বাভাবিক হারে বাড়লে চলবে না৷ আগামী দিনে এধরনের কোন অভিযোগ আসলে জেলা প্রশাসনের তরফে অভিযুক্ত ইট বিক্রেতার বিরুদ্ধে কড়া আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷
2017-04-07

