নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা/খোয়াই, ২৯ জানুয়ারি৷৷ বিভিন্ন দাবী আদায়ের লক্ষ্যে রাজ্যব্যাপী পাঁচ ঘন্টার গণবস্থান পালন

করল ত্রিপুরা কর্মচারী সমন্বয় কমিটি৷ রাজধানী আগরতলা শহরের রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে এদিন গণবস্থান পালন করা হয়৷ এই গণবস্থানের আগে একটি মিছিল শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে৷ মিছিলে দুজনকে ‘হনুমান’ সাজিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্যাশলেস ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করা হয়৷ গণবস্থানে বিভিন্ন বক্তা কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করেছেন৷ পাশাপাশি দাবীগুলির যৌক্তিকতা তুলে ধরেন৷
শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বপক্ষে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষক-কর্মচারী-শ্রমিক-কৃষক -স্বার্থ বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে দেশে এবং রাজ্যব্যাপী কর্মসূচীর অঙ্গ হিসাবে এআইএসজিবিএফ-এর আহ্বানে টিইসিসি(এইচ জি বি রোর্ড) এর উদ্যোগে জাতীয় ১০ দফা এবং রাজ্যের ১০ দফা সেই মোট ২০ দফা দাবীতে ৫ ঘন্টার গন অবস্থান সংগঠিত হল খোয়াইতেও৷ রবিবার সকাল ১১টাে থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টাে অবধি চলবে এই অবস্থান৷ খোয়াই নৃপেন চক্রবর্তী এভিনিউতে এই গন অবস্থানে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতির তীব্র প্রতিবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষক-কর্মচারী নেতৃত্বরা৷ গন অবস্থানে ভাষন রাখেন কর্মচারী নেতা প্রদ্যুৎ ভট্টাচার্য্য, প্রান্তি দেব, সঞ্জিব ভট্টাচার্য্য সহ অন্যান্যরা৷ ২০ দফা দাবি সনদের মধ্যে জাতীয় দাবীগুলি সনদে -পিএফআরডিএ আইন বাতিল করে সবার জন্য ডিফাইনড পেনশন চালু করা, সমস্ত অনিয়মিত, চুক্তিবদ্ধ কর্মীদের নিয়মিতকরন এবং নির্ধারিত নিয়োগবিধি অনুযায়ী সকল স্তরে শূন্যপদ পূরন, সরকারী ক্ষেত্রে বেসরকারীকরন ও সব ধরনের আউটসোর্সিং বন্ধ করা, প্রতি পাঁচ বছর অন্তর বেতন পূণর্বিন্যাস করা, ৭ম বেতন কমিশন অনুসারে রাজ্যের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন পূনর্বিন্যাস করা এবং প্রয়োজনীয় অর্থ কেন্দ্রীয় সরকারের বহন করা সহ আরও গুরুত্বপূর্ণ দাবী যেমন ছিল তেমনি রাজ্যের দাবীসনদে ছিল-শিক্ষক কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া, এসিপি প্রদানের যে সব ক্ষেত্রে জটিলতা আথে তা দূর করে সবার জন্য তিনটি এসিপি পূণর্বিন্যাস করা, বিভিন্ন দপ্তরে শূন্যপদ পূরণ করা, প্রমোশনের সুযোগ প্রসারিত এবং সর্বস্তরে প্রমোশনের ক্ষেত্রি নূন্যতম আর্থিক সুবিধা প্রদান করা সহ গুরুত্বপূর্ণ আরও দাবী৷