মার্চে হবে আরও নতুন শিক্ষক নিয়োগ, কেন্দ্রে আইন সংশোধন হতেই রাজ্যে চালু হচ্ছে পাশ-ফেল প্রথা

education-2নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৯ জানুয়ারী৷৷ শিক্ষার মানোন্নয়নে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷ অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাশ-ফেল প্রথা যাতে পুনরায় চালু হয় সেই বিষয়ে ইতিমধ্যে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের সম্মতি বার্তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এরই পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েট টিচার এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার সংক্রান্ত টেট এর ফল ঘোষণা হতেই উত্তির্ণদের মার্চের মধ্যে নিয়োগ করা হবে৷ তার সাথে শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷ ছাত্র-শিক্ষক সমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে শিক্ষা দপ্তর নয়া নির্দেশিকা তৈরী করেছে৷ তার জন্য গঠিত হয়েছে নতুন কমিটিও৷ এই কমিটি যে সমস্ত সুকলে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত শিক্ষক রয়েছেন এবং যেখানে শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে তার একটি তালিকা তৈরীর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ এই সমস্ত বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী জানান, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পাশ- ফেল প্রথা পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে রাজ্যের কোন আপত্তি নেই৷ সেকথা কেন্দ্রীয় সরকারকে জানানো হয়েছে৷ অন্যান্য রাজ্যও এই বিষয়ে তাদের মতামত কেন্দ্রীয় সরকারকে জানিয়েছে৷ এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন ক্রমে সংসদে আইন সংশোধনী বিল পাশ হলে সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য মন্ত্রিসভাও পাশ-ফেল প্রথা পুনরায় চালু করার অনুমোদন দিয়ে দেবে৷ এই সংক্রান্ত খুটিনাটি সমস্ত কিছু ব্যবস্থা করে রেখেছে শিক্ষা দপ্তর৷
এদিন তিনি আরও জানান, রাজ্যে প্রায় ছয় হাজারের উপর শিক্ষকের অভাব ছিল৷ সম্প্রতি টেট এর মাধ্যমে ৫০০ শিক্ষক নিযুক্ত করা সম্ভব হয়েছে৷ আগামী ১৩ কিংবা ১৪ জানুয়ারীর মধ্যে পরবর্তী ফলাফল ঘোষণা হবে৷ তিনি আশা করছেন, তাতে আরও কয়েকজন শিক্ষক মিলবে৷ এই বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই টেট এর ফলাফলে যারা উত্তির্ণ হবেন তাদেরকে আগামী মার্চের মধ্যেই নিযুক্ত করা হবে৷ এদিকে, শিক্ষকদের রদবদলেরও নয়া তালিকা তৈরী করা হয়েছে৷ রাজ্যে বেশ কিছু সুকল বিভিন্ন পর্যায়ে উন্নিত হয়েছে৷ তাতে একদিকে যেমন রয়েছে এস বি সুকল হাই সুকলে উন্নিত হয়েছে, তেমনি প্রত্যেক ব্লকে সরকারী ইংরেজী মাধ্যম সুকলও খোলা হয়েছে৷ ঐ সুকলগুলিতে ইতিমধ্যেই অন্য সুকল থেকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে৷ পাশাপাশি যেসব শিক্ষকের ইংরেজী মাধ্যমে পড়াশুনা করেছেন তাদেরও আলাদা তালিকা তৈরী করা হচ্ছে৷ মূলতঃ ইংরেজী মাধ্যম সুকলগুলিত ঐসব শিক্ষকদের নিয়োগ করার বিষয়েই এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছে শিক্ষা দপ্তর৷ শিক্ষামন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়েও দপ্তর খতিয়ে দেখছে৷ এদিন তিনি জানান, টিপিএসসি এবং সিনিয়রিটির মাধ্যমে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হবে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *