নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ২ অক্টোবর৷৷ পুজার আর বাকি মাত্র পঁাঁচদিন৷ ছোট থেকে বড় সব প্যান্ডেলেই চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি৷ আর তাছাড়া মহালয়া হয়ে যাওয়া মানে পুজা পুজা গন্ধটা পুরোপুরি বাতাসে মিশে যাওয়া৷ এতদিন মনে হচ্ছিল পুজা আসছে আসছে৷ এবার রীতিমতো দুয়ারে কড়া নাড়ছে৷ পুজা আর কেনাকাটা এই দুটোর সম্পর্ক যেন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত৷ একটাকে ছাড়া যেন অন্যটার কল্পনাই করা যায় না৷
পুজার কেনাকাটা শুরু হয়ে যায় প্যান্ডেলের খঁুট পুজার সাথে সাথেই৷ এখন চলছে কেনাকাটার শেষ মুহুর্তের পালা৷ অনেকটা পুজার প্যান্ডের শেষ ফিনিশিংয়ের মতোই৷ রবিবার ছিল পুজার আগের শেষ উইরএন্ড৷ কেনাকাটারর বলতে গেলে এক সুবর্ণ দিন৷ রবিবার তাই বাজার সরগরম৷ শুধু রাজধানী আগরতলা নয়, প্রতিটি জেলাতেই কেনাকাটার ধুম পড়েছে৷ জেলা সদর থেকে মফস্বল ছঁুয়ে গ্রাম বাংলা উৎসবে মাততে প্রস্তুত৷ সবাই চাইছেন পছন্দসই জিনিষকে বেছে নিতে৷ এই বছর মেয়েদের পুজার ফ্যাশানে রয়েছে প্যালোজো প্যান্ট (সেমি বা নন সেমি)৷ সঙ্গে রয়েছে কুর্তি৷ যেটার সঙ্গে রয়েছে হাল ফ্যাশানের ভারি গয়না৷ এবছর ট্র্যাডিশনাল গয়নার চল উঠেছে৷ আদি সাজে নিজেদের নতুন করে চেনানোর পর্ব৷ ভিড় জমছে স্বর্ণালঙ্কারের দোকনগুলিত৷ শহরের প্রতিষ্ঠিত শপিং মলগুলিতে ভিড় জমছে৷ রাজধানীর মসজিদ রোজে বনেদি শাড়ির দোকানেও ভিড় চোখে পড়ার মতো৷ তাছাড়া ভিড় গলি ছাড়িয়ে রাস্তায় এসে পৌঁছেছে৷ রাজধানীর ব্যস্ততম ফুটপাতগুলিতেও ভিড় রয়েছে৷ মেয়েদের সাথে পাল্লা দিতে প্রস্তুত ছেলেরাও৷ সারাবছরই জামাকাপড় কেনা হয়ে থাকে, তবে পুজার ড্রেসের আলাদা ক্রেজ৷ সবার অবকাশ আর উৎসাহ না থাকলেও, অল্পবিস্তর সকলেই চেষ্টা করছেন, শেষ মুহুর্তের আখের গুছিয়ে নেওয়ার৷ শেষ রবিবার তাই বাজরগুলি কেবলই সার সার মানুষের মাথা৷ এক সমুদ্র ভিড় ঠেলে, শপিং কমপ্লিট করতে মরিয়া সকলেই৷ হাতে আর মাত্র কয়েকটি দিন৷
এদিকে, রাজধানী আগরতলা শহরের বেশ কয়েকটি বনেদি পুজা প্যান্ডের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়ে গিয়েছে৷ কিছু কিছু প্যান্ডেলের আলোকসজ্জাও শেষ করা হয়েছে৷ আলোক মালায় সাজানো হয়েছে বিভিন্ন পথ ঘাট৷ তাছাড়া পুজা উদ্যোক্তাদের তরফে চলছে প্যান্ডেল উদ্বোধনের প্রস্তুতি৷ কাকে আমন্ত্রণ জানানো যায় প্যান্ডেল উদ্বোধনের জন্য সেই চিন্তায় মগ্ণ উদ্যোক্তারা৷ উদ্যোক্তারা ব্যতিক্রমী কিছু করার পরিকল্পনা নিচ্ছে৷ অনেক সাসপেন্স রয়েছে৷ তবে এবারের শারদোৎসবে রাজধানী আগরতলায় রেকর্ড ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে বিভিন্ন মহল থেকে৷ বিশেষ করে সকালের দিকে আগরতলা থেকে রেল যাবে ধর্মনগরে৷ অন্যদিকে বিকালে ধর্মনগর থেকে আসবে রেল৷ তাই ঐদিকের দর্শনার্থীর ঢল নামার সম্ভাবনা বেশী৷
শারদোৎসবের আগে শেষ রবিবারে জমজমাট ফুটপাত থেকে শপিং মল
Releated Posts
কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি হামলার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি পুনর্ব্যক্ত রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূতের
কাবুল, ২২ মে (আইএএনএস): আফগানিস্তানে মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূত রিচার্ড বেনেট কাবুলের ওমিদ পুনর্বাসন হাসপাতালে পাকিস্তানের…
ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’ কর্মসূচির সূচনা, ধলাই জেলার ৩৫ জনের অভিযোগ শুনলেন মুখ্যমন্ত্রী
আগরতলা, ২০ মে : রাজ্যের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী সমীপেষু’…
সুস্থ সমাজ গঠনে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান সুদীপ রায় বর্মনের
আগরতলা, ১৭ মে: দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে সুস্থ সমাজ ও শক্তিশালী দেশ গঠনে কাজে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন…
ত্রিপুরায় নতুন ইন্ডিয়া রিজার্ভ (আই আর) ব্যাটালিয়ান গঠনের অনুমোদন দিল কেন্দ্র; মিলবে ৫০ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১৫ মে: ত্রিপুরার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরিতে বড় পদক্ষেপ…


















