নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুরস, ৬ জুন৷৷ প্রথমাকে রেখে পরকীয়া নিয়ে পালাল স্বামী ঘটনা উদয়পুর রাধাকিশোরপুর থানার অন্তর্গত ছাতারিয়া এলাকায়৷ সংবাদ সূত্রে জানা যায় উদয়পুর ছাতারিয়া এলাকার কিছু মানুষ ’ত্রিপুরেশ্বরী ’ নামে একটি ভলান্টিয়ার্স অরগানাইজেশন তৈরি করেন সেল্প হেল্প গ্রুপের আদলে৷ এই সংস্থার কাজ হচ্ছে স্বল্প সুদে সদস্যদের মধ্যে প্রদান৷
গত কয়েকদিন আগে ঐ সংস্থার সদস্য চিন্তু দাসু উনার স্ত্রী মিলে সংস্থা থেকে চল্লিশ হাজার টাকা ধার নেয় নিদিষ্ট দিনে পরিশোধ করবেন বলে৷ঋণ নিয়েই বৈধ প্রথমাকে রেখে পরকীয়া নিয়ে অবৈধ সম্পর্কের জেরেই পালিয়ে যাওয়ার পর ভলেন্টিয়ার অর্গানাইজেশন থেকে অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য চিন্তুর বৈধ স্ত্রীকে চাপ দিতে থাকে অর্গানাইজেশনের সদস্যরা৷
এই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর ঐ প্রথম বাবার বাড়িতে চলে যান৷ পরবর্তীতে তিনি বাধ্য হয়ে বাড়ি ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করে ঋণের ৪০০০০ চল্লিশ হাজার টাকা ঐ সংস্থার সদস্যদের পরিশোধ করে দেন৷ চিনটু দাসের বোন বাড়িঘরের জিনিসপত্র চুরি করা হয়েছে বলে সংস্থার চৌদ্দ জনের বিরুদ্ধে আর কে পুর থানায় মামলা দায়ের করেন৷ পুরো ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চিন্তু দাসের বৈধ স্ত্রী থানায় গিয়ে বলেন ওনার অনাস্থা মিথ্যা অভিযোগ করছেন সংস্থার সদস্যদের বিরুদ্ধে- সদস্যরা নিদর্োষ৷ প্রথমাকে স্বেচ্ছায় বাড়ি ঘরের জিনিস বিক্রি করে স্বামীর ঋণের টাকা শোধ করেছেন এতে গ্রুপের অন্যান্য সদস্যারা কোনভাবেই যুক্ত নয়৷ মূলত গ্রুপের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে উনার স্বামী চিন্তু দাসের বোন মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে৷ যে চৌদ্দ জনের নামে মামলা করা হয়েছিল তারা প্রত্যেকেই আজ আর কে পর থানায় সশরীরে হাজির হয়ে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করেন এবং চিন্তু দাসের বোনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন৷ এই ঘটনায় ছাতারিয়া ও গোটা উদয়পুরের চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে৷

