চেন্নাই, ২৫ আগস্ট (আইএএনএস): তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় এবং মন্ত্রী আধব অর্জুনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া নির্বাচনী মামলাগুলি খারিজের আবেদন জানাতে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা না দিলে দু’জনকেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা দিতে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আদালত।
বিচারপতি ভি. লক্ষ্মীনারায়ণনের বেঞ্চ মঙ্গলবার পেরাম্বুর এবং তিরুচিরাপল্লি ইস্ট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে দুই নেতার নির্বাচনী জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানির সময় এই নির্দেশ দেয়।
ডিএমকে প্রার্থী আর.ডি. সেকর এবং ভোটার দীনেশ ও লক্ষ্মী নরসিমহান পৃথক নির্বাচনী পিটিশন দায়ের করে পেরাম্বুর কেন্দ্র থেকে বিজয়ের জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, তিরুচিরাপল্লি ইস্ট কেন্দ্র থেকে আধব অর্জুনের নির্বাচনী জয়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছেন ডিএমকে প্রার্থী ইনিগো ইরুদয়ারাজ।
মামলার শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী নির্বাচনী পিটিশন খারিজের আবেদন জানানোর জন্য দু’সপ্তাহ সময় চেয়েছিলেন। তবে বিচারপতি সেই আবেদন খারিজ করে বলেন, আগের শুনানিতেই আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে এই ধরনের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য আর কোনও সময়সীমা বাড়ানো হবে না।
বিচারপতি লক্ষ্মীনারায়ণন জনপ্রতিনিধিত্ব আইন-এর ৮৬ নম্বর ধারার উল্লেখ করে নির্বাচনী বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, যতটা সম্ভব নির্বাচনী পিটিশনের শুনানি ধারাবাহিকভাবে হওয়া উচিত এবং হাইকোর্টে মামলা দায়েরের তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা উচিত।
আধব অর্জুনের আইনজীবীও আদালতকে জানান, তাঁর মক্কেল নির্বাচনী পিটিশন খারিজের আবেদন করতে চান এবং সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন। তবে আদালত তাঁর ক্ষেত্রেও দু’সপ্তাহ সময় বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুর করেনি।
শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এবং আধব অর্জুন—দু’জনকেই নিজ নিজ খারিজের আবেদন জমা দেওয়ার জন্য ২৭ আগস্ট পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা না দিলে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হবে বলে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে।
২৭ আগস্টের পর মামলাগুলি ফের শুনানিতে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীর পক্ষ থেকে জমা দেওয়া আবেদনগুলি খতিয়ে দেখে নির্বাচনী বিরোধ সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে আদালত।



















