আগরতলা, ২৮ মার্চ: এডিসি নির্বাচন এবং ৫৬-ধর্মনগর বিধানসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে ভর্তুকির অর্থ সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে ডেপুটেশনে মিলিত হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস।
টিপিসিসি সভাপতি অশীষ কুমার সাহা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, খাদি ও গ্রামীণ শিল্প কমিশন রাজ্য দপ্তর ত্রিপুরায় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এটি ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের অধীন একটি ঋণ-সংযুক্ত ভর্তুকি প্রকল্প, যেখানে ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত ভর্তুকি দেওয়া হয়। উৎপাদন ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ লক্ষ টাকা এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রকল্প অনুমোদনের সুযোগ রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, এডিসি নির্বাচন এবং ধর্মনগর উপনির্বাচন ঘোষণার পর কেভিআইসি রাজ্য দপ্তর, ডিআইসি অফিস এবং খাদি বোর্ড বিপুল সংখ্যক পিএমইজিপি ঋণ অনুমোদন করেছে। পাশাপাশি কেভিআইসি-এর কেন্দ্রীয় দপ্তর (মুম্বই) থেকে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২.৫ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি পাঠানো হচ্ছে।
টিপিসিসির দাবি, নির্বাচনকালীন সময়ে এভাবে অর্থ প্রদান সুশাসনের উদাহরণ নয়, বরং এটি নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন। তাই অবিলম্বে এই অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়া বন্ধ করতে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনারের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপির শেষে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন টিপিসিসি সভাপতি অশীষ কুমার সাহা।

