শ্রীনগর, ১৮ মার্চ : জম্মু ও কাশ্মীর ওয়াকফ বোর্ড বুধবার ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করেছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০ বা ২১ মার্চ এই নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
ওয়াকফ বোর্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে শ্রীনগরের আসার-এ-শরিফ দরগাহ হজরতবলে। সেখানে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে।
এছাড়া শ্রীনগরের একাধিক মসজিদ ও জিয়ারতে নামাজের সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে। সৌরার আসার-এ-শরিফ জিনাব সাহাবে সকাল ১০টায়, খানইয়ারের জিয়ারত হজরত পীর দস্তগির সাহাব (রা.)-এ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এবং খানকাহ-এ-মওল্লা, আমির-এ-কবীর হজরত মীর সইদ আলি হামাদানি (রা.)-তে সকাল ১১টায় ঈদের নামাজ হবে।
শহরি কালাশ পোরার আসার-এ-শরিফে সকাল ৯টায়, জিয়ারত হজরত মখদুম সাহাব (রা.)-এ সকাল ১০টায়, খওয়াজা বাজারের জিয়ারত হজরত খওয়াজা নকশবন্দ সাহাব (রা.)-এ সকাল ১০টায় নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়াও, সোনাওয়ারের জিয়ারত হজরত মীর সইদ ইয়াকুব সাহাব (রা.)-এ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, হাওয়ালের জিয়ারত হজরত মির্জা কামিল সাহাব (রা.)-এ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, হব্বাকাদলের জিয়ারত হজরত রূপা রেশি (রা.)-এ সকাল ৯টায় এবং মুজাহিদ মঞ্জির শাহী মসজিদে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে নামাজ হবে।
জৈন্দর মহল্লার জিয়ারত হজরত জয়ন আলি দর (রা.)-এ সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে, নওহাট্টার সইদ হিসসারি সাহাব (রা.)-এ সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে, বার্থানার হজরত বাবা রহমতুল্লাহ সাহাব (রা.)-এ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে, সৌরার জিয়ারত হজরত মালিক সাহাব (রা.)-এ সকাল ৯টায় নামাজের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া সাফাকাদলের জিয়ারত শাহ নিয়ামতুল্লাহ কাদরি (রা.)-এ সকাল ৯টায়, জালদাগরের জিয়ারত হজরত সৈয়দ মনসুর সাহাব (রা.)-এ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, চশমাশাহির জিয়ারত সৈয়দ আসিম শাহ/কাসিম শাহ-এ সকাল ৯টায়, ড্রাগজান ডালগেটের জামিয়া মসজিদ শরিফে সকাল ৯টায় নামাজ হবে।
সাফাকাদলের নালাবন্দ পোরার মসজিদ শরিফে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে, গোজওয়ারার জামিয়া মসজিদ শরিফে সকাল ৮টায়, শহিদগঞ্জের কিলা মসজিদে সকাল ৮টায়, বাটওয়ারার মার্কাজি জামিয়া মসজিদে সকাল ৮টায়, বুচওয়ারা ডালগেটের জামিয়া মসজিদ শরিফে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে, মুনাওয়ারাবাদের জামিয়া মসজিদ শরিফে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে এবং ফতেহ কাদলের মালিক-আঙ্গন মসজিদ শরিফে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে।
ওয়াকফ বোর্ড জানিয়েছে, উপত্যকার অন্যান্য জেলা এবং জম্মু বিভাগেও ঈদের নামাজের বিস্তারিত সূচি আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
ভক্তদের নিজ নিজ জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহ বা নির্ধারিত স্থানে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলে যাতে ভোগান্তি এড়ানো যায়, সে কারণে স্থানীয় মসজিদেই নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে বোর্ড।
রমজান মাসের রোজা সমাপ্তির পর ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় করা হয়। এই নামাজ মূলত পবিত্র রমজান মাস সম্পূর্ণ করার পর আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিশেষ নামাজ হিসেবে বিবেচিত।

