নয়াদিল্লি, ৭ মার্চ : গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বাড়ানোয় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রের বাসিন্দারা। তাঁদের আশঙ্কা, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সংসারের বাজেট ও দৈনন্দিন খরচে বড় প্রভাব পড়বে।
অনেকেই জানিয়েছেন, রান্নার গ্যাস একটি অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। ফলে দাম বাড়লে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলির পক্ষে খরচ সামলানো আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
দিল্লির বাসিন্দা অনুপমা বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান নানা সংঘাতের প্রভাবেই হয়তো গ্যাসের দাম বাড়ছে। “বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলছে, তার প্রভাব বহু দেশের ওপর পড়ছে। গালফ দেশগুলো থেকে গ্যাস রফতানি হয়, তাই দাম বাড়া স্বাভাবিক। তবে আশা করি সরকার এর কোনও সমাধান বের করবে। এই কঠিন সময়ে আমাদের সরকারের পাশে থাকা উচিত,” বলেন তিনি।
দিল্লিরই আরেক বাসিন্দা আশু শর্মা জানান, এলপিজি সিলিন্ডার দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম প্রধান প্রয়োজন। “প্রতিটি বাড়িতে রান্নার জন্য এলপিজি অপরিহার্য,” বলেন তিনি।
একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। সংসার চালানো ক্রমশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”
উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরের এক ব্যবসায়ীর মতে, ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলছে। তাঁর কথায়, “আয় কম, অথচ খরচ বাড়ছে। এতে মানুষের জীবনে বড় সমস্যা তৈরি হচ্ছে।”
অযোধ্যার বাসিন্দারাও একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এক বাসিন্দা বলেন, “গ্যাসের দাম বাড়ায় সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”
আরেকজন বলেন, “দাম বাড়লেও গ্যাস ব্যবহার বন্ধ করা যায় না। এটি ছাড়া চলার উপায় নেই।”
তৃতীয় এক বাসিন্দার মতে, সামান্য দাম বাড়লেও তার প্রভাব সংসারের খরচে স্পষ্ট পড়ে।
মুম্বইয়ের এক মহিলা বলেন, নিয়মিত আয় না থাকায় সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। “দুই-তিন মাস ধরে কাজের টাকা পাইনি। সবজির দাম, গ্যাসের দাম—সবই বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে পড়ছে,” বলেন তিনি।
অনেকে সরকারের কাছে আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

