জ্বালানির সংকটে খোয়াইয়ে পরিবহণ ব্যবস্থা বিপর্য্যস্ত

Petrol Khowaiনিজস্ব প্রতিনিধি, খোয়াই, ৮ জুলাই ৷৷ জ্বালানির সংকটে জেরবার রাজ্য৷ কখনো জ্বালানি লরি আসছে তো মুহূর্তেই ভিড় জমে যাচ্ছে পেট্রোল পাম্পে৷ নাওয়া খাওয়া ছেড়ে বাইক সুকটি নিয়ে বলতে গেলে তিন রাতের সিংহভাগ কেটে যাচ্ছে জ্বালানির সংগ্রহে৷ বেলা বাড়া আর রাত গড়িয়ে গেলেও এই দৃশ্যের পরিবর্তন নেই৷ ৪৪নং জাতীয় সড়কের বেহাল অবস্থার ফলে যানবাহন চলার ব্যাঘাত ঘটায় রাজ্যে পেট্রোল আনার ক্ষেত্রে যে সমস্যা দেখা দিয়েছে তা মোকাবেলার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ত্রিপুরা র াজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পেট্রোল বিক্রির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ বিধি আরোপ করা হয়েছে৷ এখন থেকে প্রতিদিন বাইক ও সুকটিতে ২০০ টাকা, পেট্রোল চালিত গাড়ি ৫০০ টাকা এবং অটো রিক্সায় ৩০০ টাকা করে পেট্রোল ঢোকানো যাবে৷ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া মাত্র এই নিয়ন্ত্রণ বিধি তুলে নেওয়া হবে৷
রাজ্যের প্রতিটি মহকুমার পাশাপাশি খোয়াইতেও দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট৷ রাজ্যের একাধিক মহকুমায় রেশনিং পদ্ধতি চালু করতে হয়েছে পেট্রোল ডিজেল দেবার ক্ষেত্রে৷ আবার এই রেশনিং ব্যবস্থার মধ্যেও চলছে প্রচন্ড কালোবাজারি৷ যেমনটা হচ্ছে খোয়াইতেও৷ ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে যেখানে পেট্রোল ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না সেখানে খোলা বাজারে চড়া দামে পেট্রোল ডিজেল বিক্রয় হচ্ছে৷ যদিও খোয়াই অনবদ্য পেট্রোল পাম্প কর্তৃপক্ষ বলছে তাদের কাছেসীমিত জ্বালানি তেল রয়েছে৷ তবে পেট্রোল প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকলেও ড্রাফট জমা করানো হয়েছে৷ প্রয়োজন হলেই পেট্রোল এসে যাবে পাম্পে৷ কিন্তু ডিজেলের সংকট রয়েছে৷
অনেকটা ক্ষোভের সুরেই কলেজ পড়ুয়া ছাত্র থেকে অটো চালক এবং বাইক চালক থেকে অন্যান্য যানবাহন চালকরা জানালেন তাদরে নিজ নিজ প্রতিক্রিয়া৷ বললেন চোরাই পথে একাংশ অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে ড্রাম ভর্তি পেট্রোল ডিজেল পৌঁছে যাচ্ছে৷ আর লাইনে দাঁড়িয়ে পেট্রোল পাচ্ছেনা সাধারণ মানুষ৷ আবার অনেক বাইক চালকের কাছেই অতিরিক্ত পেট্রোল মজুত আছে৷ কারণ তারা বারবার লাইনে দাঁড়িয়ে পেট্রোল পাম্পে ডিজেল না থাকলেও খোলা বাজারে কি করে পেট্রোল ডিজেল আসছে৷ আর এই পেট্রোল ডিজেল বিক্রয় হচ্ছে ডাবল দামে৷ রাজ্যের রাজধানী সহ প্রায় প্রতিটি মহকুমাতেই চুড়ান্তভাবে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে৷ আর তার উপর দেদার চলছে কালোবাজারিতে পেট্রোল ডিজেলের ব্যবসা৷