আগরতলা, ২৭ নভেম্বর : দেশ ও রাজ্যের সার্বিক বিকাশে যুব সম্প্রদায়কে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে। সংস্কৃতি চর্চা ও খেলাধুলার সাথে যুব সম্প্রদায়কে বেশি করে যুক্ত করতে পারলে দেশ ও রাজ্য সমৃদ্ধ হবে। আজ জিরানীয়া মহকুমার বীরেন্দ্রনগর উচ্চতরমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক যুব উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জেলাভিত্তিক এই যুব উৎসবের উদ্বোধন করেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায়। অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী আরও বলেন, যুবশক্তিকে নেশার কবল থেকে দূরে রাখতে যুব উৎসব সহায়ক ভূমিকা নেবে।
জেলাভিত্তিক যুব উৎসবের উদ্বোধন করে ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, যুবক- যুবতীদের প্রতিভাকে বিকশিত করতে পারলে আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়ে উঠবে। যুব সম্প্রদায়কে সংস্কৃতি মনষ্ক করে তুলতে যুব উৎসবের একটা ভূমিকা রয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গড়ে তোলা। আমাদের যুব শক্তিকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলেই এই লক্ষ্য পূরণ হবে। আমাদের রাজ্য প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। এই সম্পদকে কাজে লাগিয়ে বিকাশের ধারাকে ত্বরান্বিত করতে হবে। অনুষ্ঠানে ক্রীড়ামন্ত্রী আরও বলেন, সংস্কৃতি ও খেলাধুলার উন্নয়নকে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিধায়ক স্বপ্না দেবনাথ ও যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের অধিকর্তা সত্যব্রত নাথ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জিরানীয়া মহকুমার মহকুমা শাসক শান্তিরঞ্জন চাকমা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রতন কুমার দাস।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি হরিদুলাল আচার্য, জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান প্রীতম দেবনাথ প্রমুখ। জেলাভিত্তিক যুব উৎসবে জেলার বিভিন্ন ব্লক, পুরপরিষদ, পুরনিগম ও নগর পঞ্চায়েত এলাকার যুবক যুবতীরা অংশ নেন। যুব উৎসবে সমবেত লোকসংগীত, সমবেত লোকনৃত্য, একক লোকসংগীত, একক লোকনৃত্য, গল্প লেখা, আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি ও পোস্টার তৈরির উপর প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

