আগরতলা, ১০ অক্টোবর: বিশ্ববিদ্যালয় জ্ঞান সৃষ্টি ও বিস্তারের মাধ্যমে ভবিষ্যত প্রজন্মের নাগরিকদের জীবন, নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে।আজ ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মহারাজা বীরবিক্রম অডিটোরিয়ামে রূপান্তরমূলক ও স্থিতিশীল সমাজের জন্য উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণা শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক (ডাঃ) মানিক সাহা।
ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেল এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত এই সম্মেলন চলবে।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, বিশ্ববিদ্যালয় হল ভবিষ্যতের গবেষণাগার। গবেষণা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা ভাবতে পারি না। তাই গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের মধ্যে থাকা উচিত।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার পাঠ্যক্রমে বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণের সম্ভাব্য উপায়গুলির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। নতুন জাতীয় শিক্ষা নীতি- ২০২০ তে ভারতীয় পরম্পরাগত জ্ঞানের গুণাবলীর উপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্থিতিশীল জীবনযাপনের মূল্যবোধের কথা আমাদের পরম্পরায় রয়েছে।
এদিন তিনি বলেন, আমাদের সুপ্রাচীন জ্ঞান ভান্ডারে নিহিত জীবনের মূল্যবোধের মধ্য দিয়েই বেঁচে থাকার চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ভারত তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতির মাধ্যমে বিশ্বকে পথ দেখাতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপুরা সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ। সেই সাথে রয়েছে অসংখ্য পরিবেশগত হটস্পট। তিনি ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক, জাতিগত, পরিবেশগত এবং প্রাকৃতিক সম্পদের উপর দৃষ্টি রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোক্যাল ফর লোক্যাল’ নীতি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন।
তার দাবি, দেশের ঐতিহ্যগত সমৃদ্ধ প্রাচীন আয়ুর্বেদ আমাদের বনের কোলে বেড়ে উঠেছে। ত্রিপুরায় অনেক বনাঞ্চল রয়েছে। এই বনাঞ্চলে মূল্যবান অনেক ভেষজ উদ্ভিদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই হয়তো একদিন এই মূল্যবান ভেষজ উদ্ভিদ আবিষ্কার করতে সক্ষম হবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।



















