নয়াদিল্লি, ৯ জানুয়ারি (হি.স.) : ‘বুল্লি বাই’ অ্যাপ মামলার অন্যতম অভিযুক্ত নীরজ বিষ্ণোই দুবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। চেষ্টা করেই ক্ষান্ত নয় নীরোজ। সুযোগ পেলেই আত্মঘাতী হবে বলেও লাগাতার হুমকি দিয়ে পুলিশকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করছে সে। জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশনস (আইএফএসও) ইউনিট-এর ডেপুটি কমিশনার কেপিএস মালহোত্রা।
আজ রবিবার আইএফএসও-র ডেপুটি কমিশনার কেপিএস মালহোত্রা এই খবর জানিয়ে বলেছেন, দু-দুবার আত্মহত্যার চেষ্টা করলেও পুলিশের কড়া নজরদারিতে তাঁর পরিকল্পনা সফল হয়নি। তবে পুলিশ নীরোজের ওপর যথাযথ নজর রেখেছে। ডিসিপি জানান, পুলিশি জেরায় নীরজ বিষ্ণোই স্বীকার করেছে, ‘বুল্লি বাই’ অ্যাপে বয়ান লেখায় সে গুরুমুখী লিপি বেছে নিয়েছিল। কারণ সে নাকি মনে করেছিল, এটা দেবনাগরী লিপির চেয়ে বেশি প্রভাবশালী।
এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, জনৈক মহিলা সাংবাদিকের ছবি ‘বুল্লি বাই’ অ্যাপে আপলোড করার সঙ্গে জড়িত মূল ষড়যন্ত্রকারী অভিযোগে গত ৬ জানুয়ারি দিল্লি পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফিউশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক অপারেশনস ইউনিট-এর আধিকারিকরা অসমের যোরহাটের দিগম্বর চক এলাকার বাসিন্দা বছর ২১-এর নীরজ বিষ্ণোইকে গ্রেফতার করে ওইদিন বিকেলেই দিল্লিতে নিয়ে এসেছিলেন। সে ভোপালে অবস্থিত ভেল্লোর ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বি-টেক) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্ৰ।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে টুইটার অ্যাকাউন্টে ‘বুল্লি বাই’ নামে একটি হ্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছিল। এ ছাড়া বুল্লি বাই-এর নামে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে গিটহাবে এক মহিলা সাংবাদিকের ছবিও পোস্ট করেছিল নিরোজ বিষ্ণোই। এই অ্যাপে শত শত সংখ্যালঘু মেয়ের ছবি আপলোড করে নিলামে বিক্রি করার প্রস্তাব রাখা হত।
এদিকে মুম্বাই পুলিশের সাইবার সেল আরও তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে ১৯ বছরে এক যুবতী রয়েছে। সেও অন্যতম মূল অভিযুক্ত। এছাড়া বেঙ্গালুরু থেকে ২১ বছর বয়সি ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র এবং ২১ বছরের একজনকে উত্তরাখণ্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

