MBB Airport : এমবিবি বিমানবন্দর লোকসানে চলছে, দেশের আরও ২৪টি বিমান বন্দরের সঙ্গে নগদীকরণে সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ১০ ডিসেম্বর৷৷ লোকসানে চলছে আগরতলায় এমবিবি বিমান বন্দর৷ তাই, বেসরকারী সংস্থার সঙ্গে মিলে বিমান বন্দর পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক৷ লোকসানে থাকা এমন আরও ২৪টি বিমান বন্দরকেও বেসরকারী সংস্থার সঙ্গে পরিচালনার ক্ষেত্রে ভাগ করে নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এক বিবৃতিতে বেসামরিক পরিবহণ মন্ত্রক এমনটাই জানিয়েছে৷


গত তিন অর্থ বছরে এমবিবি বিমানবন্দর প্রায় ১৪৯ কোটি টাকার লোকসান বহন করেছে৷ মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুসারে, এমবিবি বিমান বন্দরের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৪০.৫ কোটি টাকা, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৩৬.৪ কোটি টাকা এবং ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৭১.৯৭ কোটি টাকা রাজস্ব লোকসান হয়েছে৷
কেন্দ্রীয় বেসামরিক পরিবহণ মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল(ড়) ভি কে সিং (অবসরপ্রাপ্ত) লোকসভায় এক প্রশ্ণের উত্তরে জানিয়েছেন, এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার পরিচালনাধীন এমবিবি বিমান বন্দর সহ দেশের মোট ২৫টি বিমান বন্দরের সম্পত্তি ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে নগদীকরণে লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে৷


আগরতলা, ভুবনেশ্বর, বারানসী, অমৃতসর, ত্রিচি, ইন্দোর, রায়পুর, কালিকুট, কুয়েম্বাটুর, নাগপুর, পাটনা, মাদুরাই, সুরাত, রাঁচি, যুধপুর, চেন্নাই, বিজয়ওয়াডা, ভাদোদারা, ভোপাল, তিরুপতি, হুবলী, ইম্ফল, উদয়পুর, দেহরাদূন এবং রাজামুন্দ্রী বিমান বন্দরের সম্পত্তি নগদীকরণে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এক্ষেত্রে বছরে চার লক্ষাধিক যাত্রীর বহন ক্ষমতা রয়েছে এবং বিমান বন্দরের আয়তনে জাতীয় পরিকাঠামো মাপকাঠিতে যোগ্য হলেই যথেষ্ট৷ পিপিপি মডেলে ওই সমস্ত বিমান বন্দর পরিচালিত হবে৷ প্রসঙ্গত, দেশে ১৩৬টি বিমান বন্দর এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার পরিচালনায় রয়েছে৷ তার মধ্যে ৭টি বিমান বন্দর বেসরকারী সংস্থার সাথে যৌথ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে৷ সম্প্রতি আরও ৬টি বিমান বন্দর পিপিপি মডেলে ৫০ বছরের জন্য পরিচালনা এবং উন্নয়নে চুক্তি হয়েছে৷ তাতে রয়েছে, আহমেদাবাদ, জয়পুর, লখনউ, গুয়াহাটি, থিরুভানন্থপুরম এবং ম্যাঙ্গালুরু বিমান বন্দর৷