নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৫ ডিসেম্বর৷৷ বরাক উপত্যকা আরও একটি নতুন ট্রেন পেতে চলছে৷ সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাস থেকেই আগরতলা-শিলচর-আগরতলার মধ্যে জনশতাব্দি সুপারফাষ্ট এক্সপ্রেস ট্রেন ছুটবে৷ ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে আগরতলা-শিলচর-আগরতলার মধ্যে জনশতাব্দি ট্রেন চালানোর জন্য দাবি জানিয়েছিলেন৷ তার পরই এই ট্রেনটি চালানোর জন্য রেলওয়ে বোর্ডের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছিলেন উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ৷
ইতিমধ্যে রেলওয়ে বোর্ড উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম রাজ্য ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা ও অসমের দ্বিতীয় বৃহৎ শহর শিলচরের সঙ্গে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে এক বৃহৎ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে৷ এমন ভাবনাচিন্তা করে আগরতলা-শিলচর-আগরতলার মধ্যে সুপারফাস্ট জনশতাব্দি এক্সপ্রেস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে বোর্ড৷
বর্তমানে ১৫৬৬৩/১৫৬৬৪ নম্বরের একটি যাত্রীবাহী ট্রেন শিলচর ও আগরতলার মধ্যে চলাচল করছে৷ তাই আগরতলা-শিলচর-আগরতলার মধ্যে প্রস্তাবিত জনশতাব্দি এক্সপ্রেস চলাচল শুরু হলে বরাক উপত্যকা ও ত্রিপুরার মানুষের জন্য লাভদায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ জানা গেছে, জনশতাব্দি এক্সপ্রেসটি আপাতত আগরতলা-শিলচর-আগরতলার মধ্যে সপ্তাহে তিনদিন চলাচল করবে৷ একটি আইসিএফ রিলিজ রেক সহ মোট ১০টি কোচ নিয়ে জনশতাব্দি এক্সপ্রেস চালাবে উত্তরপূর্ব রেল৷ আগরতলা থেকে শিলচর পর্যন্ত ২৫৬ কিলোমিটার পথ সাড়ে চার ঘণ্টায় অতিক্রম করবে৷ সুপারফাস্ট জনশতাব্দি এক্সপ্রেস ট্রেনটি আগরতলা থেকে ছাড়বে সকাল ছয় (৬:০০)-টায় এবং শিলচর এসে পৌঁছবে সকাল সাড়ে দশ (১০:৩০)-টায়৷ শিলচর থেকে ছাড়বে বিকেল সাড়ে পাঁচ(০৫:৩০)-টায় এবং আগরতলা গিয়ে পৌঁছবে রাত দশ (১০:০০)-টায়৷ ট্রেনটি আগরতলা থেকে ছেড়ে কেবল আমবাসা, ধর্মনগর, নিউ-করিমগঞ্জ, বদরপুর স্টেশনে দাঁড়াবে৷
এদিকে চলতি মাসে ট্রেনটি চালু হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত দিন তারিখ ঠিক হয়নি বলে উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলের সূত্রে জানা গেছে৷

