তেলিয়ামুড়া, ১৯ জুন : খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া মহকুমার গোলাবাড়ি এলাকায় এক দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বামী ও চার বছরের শিশুপুত্রকে ছেড়ে এক ব্যক্তির সঙ্গে গৃহবধূ চলে গিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় অসহায় স্বামী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা চন্দন পাল পেশায় একজন গাড়িচালক। প্রায় পাঁচ বছর আগে সামাজিক রীতি মেনে অমরপুর এলাকার বাসিন্দা রাকেশ দাসের কন্যা সঙ্গীতা দাসের সঙ্গে তার বিবাহ হয়। বর্তমানে তাদের চার বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
চন্দন পালের অভিযোগ, সম্প্রতি তার স্ত্রী সঙ্গীতা দাস তাকে এবং সন্তানকে ছেড়ে একই এলাকার বাসিন্দা প্রতিক দেবনাথ ওরফে কুট্টির সঙ্গে চলে যান। স্বামীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং সেই কারণেই তার সংসারে ভাঙন নেমে এসেছে।
প্রতিক দেবনাথকে ঘিরে লিঙ্গ পরিচয় সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগও সামনে এনেছেন চন্দন পাল। তবে এই বিষয়ে উত্থাপিত দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কোনও প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, চন্দন পালের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে তিনি তেলিয়ামুড়া থানায় গেলে এক মহিলা পুলিশ আধিকারিক তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং অভিযোগ গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করেন। এমনকি তাকে বিষয়টি নিয়ে আর এগোতে নিরুৎসাহিত করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চন্দন পাল বলেন, তিনি তার সংসার বাঁচাতে চান এবং স্ত্রী ও সন্তানকে ফিরে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে সমগ্র বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তদন্তের ফলাফলের দিকেই নজর রয়েছে।
























