আগরতলা, ১৯ জুন : হিমালয় অঞ্চলের ঝরনাভিত্তিক জলসম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত আঞ্চলিক কর্মশালায় গুরুত্বপূর্ণ প্যানেল আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদনি চন্দ্রন, আইএএস। “হিমালয়ান ওয়াটার পার্টনারশিপ: স্প্রিংশেড ম্যানেজমেন্টের জন্য জ্ঞান, অনুশীলন ও অংশীদারিত্বকে শক্তিশালীকরণ” শীর্ষক এই কর্মশালায় তিনি “স্প্রিংশেড ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তি ও জনসম্প্রদায়ের ভূমিকা এবং সমন্বিত নীতিগত কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা” বিষয়ক আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনায় ঝরনাভিত্তিক জলসম্পদের সংরক্ষণ, পুনরুদ্ধার এবং টেকসই ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতি, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সমন্বিত নীতিগত কাঠামোর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা মত প্রকাশ করেন যে, বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ও স্থানীয় ঐতিহ্যগত জ্ঞানকে সমন্বিত করে সম্প্রদায়ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমেই জলসম্পদের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব।
প্যানেল আলোচনায় জল সংরক্ষণ কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণকে প্রধান অংশীদার হিসেবে ক্ষমতায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
পাশাপাশি জল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নীতিনির্ধারক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থাগুলির মধ্যে আরও সমন্বিত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।
কর্মশালাটি বিশেষজ্ঞ, প্রশাসনিক আধিকারিক, গবেষক এবং বিভিন্ন অংশীজনদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করে, যেখানে তাঁরা নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময়, সফল উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরা এবং উদ্ভাবনী সমাধান নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ হিমালয় অঞ্চলের ঝরনাভিত্তিক জলসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও স্থিতিশীল ও সহনশীল জলব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।



















