মুম্বাই, ২ এপ্রিল: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে দেওয়া ভাষণের পর বৃহস্পতিবার সোনা ও রুপোর দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত না পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বুলিয়ন বাজারে।
মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (এমসিএক্স)-এ সোনার ফিউচার (৫ জুন) প্রায় ২.৩১ শতাংশ বা ৩,৫৬৩ টাকা কমে ইন্ট্রাডে সর্বনিম্ন ১,৫০,১৪৫ টাকায় নেমে আসে (সকাল ১০:৩০ পর্যন্ত)। অন্যদিকে, দিনের সর্বোচ্চ স্তরে সোনার দাম ছিল ১,৫২,৪৯০ টাকা, যা আগের তুলনায় ০.৭৯ শতাংশ বা ১,২১৮ টাকা কম।
রুপোর ফিউচার (৫ মে) দামে আরও বড় ধস নেমেছে। এটি ৫.৫৯ শতাংশ বা ১৩,৬১৩ টাকা কমে ইন্ট্রাডে ২,২৯,৮৮৮ টাকায় পৌঁছায়। যদিও দিনের সর্বোচ্চ স্তরে রুপোর দাম ছিল ২,৪২,৮০০ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ০.২৮ শতাংশ বেশি।
আন্তর্জাতিক বাজারেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। স্পট গোল্ড ২.২৬ শতাংশ কমে ৪,৬৫০.৩০ ডলারে নেমে আসে, এবং স্পট সিলভার ৪.৭ শতাংশ কমে ৭১.৫০ ডলারে দাঁড়ায়। কোমেক্স-এ সোনার দাম ২.৭৩ শতাংশ কমে ৪,৮১৩ ডলার এবং রুপোর দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমে ৭১ ডলারে পৌঁছেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও সোনা ও রুপোর দামের কাঠামো দুর্বলই রয়ে গেছে। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে কিছুটা সমর্থন মিললেও তা যথেষ্ট নয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ভাষণে বলেন, একমাস ধরে চলা সংঘর্ষ প্রায় শেষের দিকে, তবে প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে “অত্যন্ত কঠোর” পদক্ষেপ নিতে পারে। তিনি আরও জানান, সামরিক অভিযান তার লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের তেলের উপর নির্ভরশীল মিত্র দেশগুলিকে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
এদিকে, তেলের দামও বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারস ৫.২৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৬.৪৭ ডলারে এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুড ফিউচারস ৪.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৪.৬৪ ডলারে পৌঁছেছে।



















