নয়াদিল্লি, ১ এপ্রিল : কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী দুর্গাদাস উইকে আজ রাজ্যসভায় সাংসদ নিরঞ্জন বিশি’র এক প্রশ্নের জবাবে জানান, সরকার ২০১৮–১৯ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে সরকার একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘোষণা করেছিল। এর উদ্দেশ্য হল তপশিলি জনজাতি শিশুদের তাদের নিজস্ব সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা। এই উদ্যোগের অধীনে পরিকল্পনা করা হয়েছিল যে, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী যেসব ব্লকে ৫০ শতাংশের বেশি জনজাতি জনসংখ্যা এবং অন্তত ২০,০০০ জন জনজাতি অংশের মানুষ (দ্বৈত মানদন্ড) রয়েছে, সেসব এলাকায় ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমসংখ্যক ছেলে ও মেয়েদের জন্য একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।
এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ৭২৮টি মডেল আবাসিক বিদ্যালয়( ২৮৮টি পুরনো বিদ্যালয়সহ ) স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যাতে বিশেষ করে দুর্গম ও অনুন্নত এলাকায় বসবাসকারী জনজাতি শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি পায়।
বর্তমান সময় পর্যন্ত মোট ৭২৩টি একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় মঞ্জুর করা হয়েছে। এরমধ্যে ৪৯৯টি বিদ্যালয় চালু রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী উইকে এ বিষয়ে রাজ্যভিত্তিক যে পরিসংখ্যান দিয়েছেন, তাতে উল্লেখ রয়েছে ত্রিপুরার এখন পর্যন্ত ২১ টি একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়ের মঞ্জুরি দেওয়া হয়েছে। ত্রিপুরায় বর্তমানে চালু রয়েছে ১২ টি একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়।
বর্তমানে একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয় প্রকল্পে সেইসব ব্লকে বিদ্যালয় স্থাপনের বিধান রয়েছে, যেখানে জনজাতি জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের বেশি এবং অন্তত ২০,০০০ জনজাতি অংশের মানুষ ( দ্বৈত মানদণ্ড ) বাস করে। অতিরিক্ত বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা সময়ে সময়ে পর্যালোচনা করা হয় বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী উইকে জানিয়েছেন।



















