কলকাতা, ২৪ মার্চ(আইএএনএস): দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাইদিঘি এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল মঙ্গলবার। যদিও বিজেপির তরফে এটিকে রাজনৈতিক খুন বলা হচ্ছে, পুলিশ জানিয়েছে পারিবারিক সম্পর্কজনিত বিবাদ থেকেই এই খুনের সূত্রপাত হতে পারে।
মৃত ব্যক্তির নাম কিশোর মাঝি (৩৯), তিনি স্থানীয়ভাবে বিজেপির বুথ নম্বর ২১৬-এর সহ-সভাপতি ছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘিরপাড় বকুলতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মেনা এলাকায়।
সোমবার গভীর রাতে বাড়ির পাশের একটি পুকুরের ধারে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেই এই ঘটনা ঘটতে পারে। তদন্তের শুরুতে তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে মৃতের স্ত্রী অনিমা দাস এবং তাঁর কথিত প্রেমিক গোবিন্দ হালদারকে গ্রেফতার করা হয়। মৃতের বাবার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি হয়েছে বলে জানা গেছে।
সুন্দরবন পুলিশ জেলার সুপার বিশ্ব চাঁদ ঠাকুর জানান, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
মৃতের পরিবারের এক সদস্য দাবি করেছেন, “গোবিন্দ হালদারের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে সংসারে অশান্তি চলছিল। এই খুনের পিছনে রাজনৈতিক কোনও কারণ নেই।”
তবে ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পলাশ রানা, রায়দিঘি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী। তিনি অভিযোগ করেন, “পুলিশ ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”
অন্যদিকে, অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ বাপি হালদার বলেন, “এটি একটি প্রেমঘটিত বিষয়। বিজেপি রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করছে।”
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এবং পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর

