রাজ্যের অগ্রগতি ও বিকাশের অন্যতম চালিকা শক্তি হলেন প্রকৌশলীরা : মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা, ২৪ জানুয়ারি: রাজ্যের অগ্রগতি ও বিকাশের অন্যতম চালিকা শক্তি হলেন প্রকৌশলীরা। প্রকৌশলীরাই হলেন পরিকাঠামো তৈরীর অন্যতম স্থপতি। অগ্রগতির ভিত নির্মাণে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি বিষয়ক, শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসারে যে পরিকাঠামোর প্রয়োজন তার বিকাশ ঘটে প্রকৌশলীদের হাত ধরে। আজ আগরতলার নজরুল কলাক্ষেত্রে ত্রিপুরা স্টেট ইঞ্জিনীয়ারর্স এসোসিয়েশনের ৫৬তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফসর (ডা) মানিক সাহা একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতিনিয়ত নিজেদের প্রস্তুত রাখতে হবে। দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের সবসময় অপডেটেড রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। তবেই কাজের প্রকৃত ফল পাওয়া সম্ভব এবং কোনো প্রকল্পের বাস্তব রূপদান সফলভাবে করা যায়। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভাবনী ভাবনার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও উদ্ভাবনী বিষয়টির উপর সবসময় জোর দিয়ে আসছেন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে প্রকৌশল পেশায় মহিলাদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যা নিঃসন্দেহে গর্বের ও প্রশংসার যোগ্য। এটি রাজোর উন্নয়নের মূলধারায় নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, রাজ্য সরকার পরিকাঠামোগত উন্নয়নে বাজেটে সর্বাধিক অর্থের সংস্থান রেখেছে।

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, উন্নয়ন ক্ষেত্রে বর্তমানে ত্রিপুরার চিত্র দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। রাজ্যের পরিকাঠামো, যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, আইন শৃঙ্খলা, শিল্প ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ধার লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে যেখানেই থাকুক না কেন, সবাইকে নিজ দায়িত্ব আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করতে হবে। নিজের কাজের মূল্যায়ন করতে হবে। মানুষের মনে নিজের কাজের মাধ্যমে জায়গা করে নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী অ্যাসোসিয়েশনের ৫৬ তম বার্ষিক সম্মেলনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।অনুষ্ঠানে সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য্য বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন প্রকৌশলীদের মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হয়। এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা এবং নতুন ত্রিপুরা গড়ার ক্ষেত্রে তাদের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ত্রিপুরা স্টেট ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সত্যব্রত দাস। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন পূর্ত দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে। উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সূর্য কুমার দেববর্মা। অনুষ্ঠানে রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজকর্মের উপর একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী সহ উপস্থিত অতিথিগণ অ্যাসোসিয়েশনের ‘নির্মাণ’ স্মরণিকার আবরণ উন্মোচন করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে সান্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ২ লক্ষ টাকা চেক প্রদান করা হয় এবং বিশেষভাবে সক্ষম ৬ জন এক ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী তাদের হাতে চেক তুলে

Leave a Reply