গুয়াহাটি, ২৭ ডিসেম্বর : অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা রাজ্যের জনগণের সম্পর্কিত একটি চিন্তা উত্থাপন করেছেন, যেখানে তিনি বলেছেন যে আগামী ২০২৭ সালের জনগণনা অনুযায়ী, বাংলাদেশী উত্পত্তির মুসলিম জনগণের সংখ্যা অসমে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে ২০১১ সালের জনগণনার উল্লেখ করেন, যেখানে অসমে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৩৪ শতাংশ। তিনি বলেন, “এর মধ্যে ৩ শতাংশ ছিলেন স্বদেশী আসামী মুসলিম, বাকি ৩১ শতাংশ ছিলেন বাংলাদেশী উত্পত্তির মুসলিম।”
“২০২১ সালের জনগণনা পরিচালিত হয়নি,” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে জনগণনা ছিল স্থগিত। “২০২৭ সালে জনগণনা প্রতিবেদন প্রকাশ হলে, বাংলাদেশী উত্পত্তির মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৪০ শতাংশ হয়ে যাবে।”
মুখ্যমন্ত্রী শর্মার এই মন্তব্য রাজ্যে অভিবাসন, পরিচয় এবং নাগরিকত্ব বিষয়ক চলমান রাজনৈতিক এবং সামাজিক বিতর্কগুলির মধ্যে একটি নতুন দিক তুলে ধরেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী নাগরিকদের নিয়ে আগের বিতর্কগুলির প্রেক্ষিতে। অসমে জনগণের মধ্যে জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে, যার সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর ভবিষ্যদ্বাণী রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কিছু নেতৃবৃন্দ এই মন্তব্যগুলিকে স্বাগত জানালেও, অন্যরা সতর্ক করেছেন যে এমন ধরনের বক্তব্য সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
অসমের পরবর্তী জনগণনা, যা ২০২১ সালের পর থেকে বিলম্বিত হয়েছে, তার ফলাফল বিশেষভাবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, যারা রাজ্যের সামাজিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণ করছেন।

