আগরতলা, ৩০ মার্চ: বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। এই সরকার স্বচ্ছতার সঙ্গে মানুষের কল্যাণে নিরন্তর কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ কার্যক্রমের ১২০ তম পর্বের সম্প্রচার শ্রবণ করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। রবিবার ৮ নং টাউন বড়দোয়ালী মন্ডলের ১০ নং বুথের (সিটি সেন্টার) নাগরিকদের সাথে এই কার্যক্রমে সামিল হন মুখ্যমন্ত্রী।
এই কার্যক্রমে অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা বলেন, আমরা অধীর আগ্রহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ কর্মসূচির জন্য অপেক্ষা করে থাকি। তিনি দেশজুড়ে এমন অনেকগুলি বিষয় তুলে ধরছেন যেগুলি সম্পর্কে আমাদের কোন ধারণা নেই। শুধু ভারতই নয়, অন্যান্য দেশের ঘটনাক্রম নিয়েও এই কার্যক্রমে আলোচনা করা হয়। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উল্লেখ করেছেন যে তিনি আগামী ১লা বৈশাখ উপলক্ষে নানাভাবে ও বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা পাচ্ছেন। যা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যকে প্রতিফলিত করে।
মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেছেন, আজকের পর্বে প্রধানমন্ত্রী প্যারা গেমসের উপর গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। আমাদের রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার সর্বদা দিব্যাঙ্গজনদের কল্যাণে কাজ করে চলেছে। যা আগে দেখা যায় নি। বিভিন্ন ক্রীড়া ক্ষেত্রে রেকর্ড তৈরি করছেন অনেক ক্রীড়াবিদ। সম্প্রতি দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার এক ছাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করার সুযোগ পায়। প্রধানমন্ত্রী মোদি যখন ত্রিপুরার কথা শুনেন, তখন তিনি খুশি হন। কথা বলার সময় ওই ছাত্র উল্লেখ করেছে যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার জন্য তাকে কোনও অর্থ দিতে হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনই দুর্নীতিকে বরদাস্ত করেন না। তাঁর নির্দেশিত দিশায় আমাদের রাজ্য সরকারও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছে।
মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ সাহা তাঁর সঙ্গে মোহন ফাউন্ডেশনের সাথে আলোচনার প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন এবং মানবদেহের প্রতিটি অংশ প্রতিস্থাপন করা যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করেন। এর পাশাপাশি তিনি প্রত্যেককে স্বেচ্ছা অঙ্গদানের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং জনসাধারণের প্রতি অঙ্গদান সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করার উপর গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এদিন এই কার্যক্রমে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রাণী সম্পদ বিকাশ মন্ত্রী সুধাংশু দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।



















