আগরতলা, ১০ ডিসেম্বর: ধর্মনগরে বিএমএস-এর অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অসীম দত্ত ও ওয়েল ট্যাঙ্কার নেতৃত্ব বিরেশ এবং অনুপ, সুব্রত রুদ্রপালের ভাই শংকর রুদ্রপালের পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। আজ সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই অভিযোগ করেন বিএমএস উত্তর ত্রিপুরা জেলার প্রাক্তন সভাপতি সুব্রত রুদ্রপাল। সাথে তিনি যোগ করেন, ধর্মনগরের বিধায়ক বিশ্ববন্ধু সেনের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে
সুব্রত রুদ্রপাল জানান, অসীম দত্ত ও ওয়েল ট্যাঙ্কার নেতৃত্ব বিরেশ এবং অনুপ, সুব্রত রুদ্রপালের ভাই শংকর রুদ্রপালের পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়েল ট্যাঙ্কার থেকে লক্ষাধিক টাকার আত্মসাৎ এবং ফোনালাপের মাধ্যমে বিএমএস নেতৃত্বকে হেয় প্রতিপন্ন করার চক্রান্ত চলছে।
তিনি আরও দাবি করেন, শ্রমিকদের হুমকি দিয়ে তাদের বিভ্রান্ত করা হচ্ছে এবং বিএমএস-এর শ্রমিক ও কর্মীদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার অপচেষ্টা চলছে। ধর্মনগরের বিধায়ক বিশ্ববন্ধু সেনের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এছাড়া সুব্রত রুদ্রপাল উল্লেখ করেন, ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সিপিআইএম প্রার্থী বিজিত নাথের পক্ষে প্রচার চালিয়েছিলেন বিরেশ এবং অনুপ, যা বর্তমানে তাদের রাজনৈতিক দিক পরিবর্তনের প্রমাণ। তিনি বলেন, তারা বিএমএস-এর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে কাজ করছেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা ই-রিকশা মজদুর সংঘের সভাপতি প্রবীর ঘোষ এবং অন্যান্য বিএমএস কর্মীরা। সম্মেলনে গৌরা নাথ অভিযোগ করেন, রাত একটার দিকে অসীম দত্ত ফোন করে আগরতলা যাওয়ার নির্দেশ দেন এবং বিধায়ক বিশ্ববন্ধু সেনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ করার হুমকি দেন।
এই ঘটনা উত্তর ত্রিপুরার রাজনীতি এবং শ্রমিক আন্দোলনের উপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।