জেআরবিটি গ্রুপ – ডি মেধা তালিকা প্রকাশের ফলে উপকৃত হবেন বেকার যুবক-যুবতীরা, নিয়োগ নিয়ে বিভ্রান্তির স্পষ্টিকরণ দিল প্রদেশ বিজেপি

নিজস্ব প্রতিনিধি, আগরতলা, ৮ আগস্ট: ১৯৮৮ থেকে ৯৩ সালে জোট আমলে মন্ত্রী বিধায়কগণ বিয়ে বাড়িতে, অনুষ্ঠান বাড়িতে চাকরির অফার লেটার নিয়ে যেতেন উপহার হিসেবে। কোন ধরনের স্বচ্ছ নিয়োগ-নীতি তখন ছিল না। কিন্তু বর্তমানে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর নিয়োগ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা এসেছে। রবিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই বললেন প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী।

শনিবার বিকেলে প্রকাশিত হয়েছে গ্রুপ ডির ফলাফল। কিন্তু এই ফলাফল প্রকাশের পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে একাধিক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এই বিষয়গুলি নিয়েই এদিন স্পষ্টতা প্রকাশ করলেন প্রদেশ বিজেপি দল। প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী, বলেন, জেআরবিটি গ্রুপ-ডির ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার ফলে উপকৃত হয়েছেন রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা। কিন্তু একাংশ এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। তারা বলছেন চার বছর সময় লেগে গেছে একটি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে।

সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, আগে স্বচ্ছ নিয়োগনীতির মাধ্যমে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতো না, চাকুরীয় প্রদান করা হতো না স্বচ্ছতার সহিত। যার ফলে সময় লাগার কোন কারণ ছিল না। কিন্তু বর্তমানে স্বচ্ছ নিয়োগনীতির মাধ্যমে নিয়োগের জন্য পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়াও ৬৩ টি শূন্য পদ পূরণ করা সম্ভব হয়নি। কেননা এসব পদ এক্স সার্ভিস ম্যান ও বিকলাঙ্গ দের জন্য ছিল। কিন্তু ওই বিভাগে এই পদের জন্য যোগ্য প্রার্থী না থাকায় এই পদগুলি আপাতত খালি রয়েছে।

এছাড়া বহি:রাজের যুবক-যুবতীদের নিয়োগ সম্পর্কিত ব্যাপারে বলতে গিয়ে সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, যে সময় জেআরবিটি পরীক্ষার জন্য নিয়োগ করা হচ্ছিল তখন পিআরটিসি বাধ্যতামূলক ছিলনা। যার জন্য বহিরাজ্যের অল্প কিছু যুবক-যুবতী চাকুরীর জন্য আবেদন করেছিলেন। এবং পরবর্তী সময়ে খুবই অল্প জন মেধা তালিকায় তাদের মধ্যে থেকে স্থান পেয়েছেন। এই বিষয়ে বিরোধীরা যে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন, তার কোন কারণ নেই বলে জানালেন তিনি।